2021 এ কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন? (how to start blogging in 2021)

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন:-আমরা এমন সভ্যতাই আগমন করেছি যেখানে ইন্টারনেট দৈন্দদিনের জীবন ধারাকে বদলে দিয়েছে।ইন্টারনেট এর সহযোগিতায় মানুষ শিক্ষা থেকে কর্ম সব কিছুতেই অগ্রগতি করেছে।

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন

বহু ছেলে-মেয়ে এই টেকনোলজি কাজে লাগিয়ে নিজের ক্যারিয়ার স্থাপন করে নিচ্ছে।এখন ইন্টারনেট থেকে টাকা উপার্জন করার অনেকগুলি মাধ্যম রয়েছে,তারমধ্যে ব্লগিং হচ্ছে অন্যতম।

এই পোস্টে,কিভাবে ব্লগিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে স্থাপন করবেন সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

আমাদের দেশে বহু ছেলেমেয়ে বাড়িতে বসে ফ্রিল্যান্সিংদ্বারা ইনকাম করার চিন্তা ভাবনা করছেন।সেজন্য তারা বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মকে বেঁছে নিচ্ছেন,যেখানে স্বল্প ইনভেস্ট করে ভালো উপার্জন আসবে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলির মধ্যে blogging খুবি জনপ্রিয়।এই প্লাটফর্মে বহু ছেলে-মেয়ে সফল ক্যারিয়ার স্থাপন করে ফেলেছেন।

আপনি ব্লগিং এরমধ্যে সফল হলে মাসিক ৫০,০০০ বা তার বেশি টাকা রোজকার করতে সক্ষম হবেন।

ব্লগিং হচ্ছে একটি অনলাইন সফল বিজনেস,যেখানে সফল হলে কত টাকা ইনকাম করবেন তার কোনো শিমা নেই।

ফ্রেন্ডস,ব্লগিং করার জন্য কোনো “qualification” বা যোগ্যতার প্রয়োজন নেই,শুধু একটু স্কিল ও সাধারণ নলেজের থাকলেই হবে।কারণ এখানে ব্লগার সবকিছু কন্ট্রোল করে।

ফ্রেন্ডস, বর্তমানে ব্লগিং থেকে টাকা আয় করার চাহিদা ক্রমশ বেড়েই চলছে।আজ নতুন জেনারেশন অনলাইনে ব্লগিং,ইউটিউব চ্যানেল বা অন্য ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে কিভাবে আয় করা যায় সেই চিন্তাভাবনা করছেন।

ফ্রেন্ডস,আমি আগেই ফ্রিল্যান্সিং দ্বারা আয় ও ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে সেখান থেকে ইনকাম কিভাবে করবেন সেই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আর্টিকেল পোস্ট করা আছে।

আজ এই পোস্টে আমরা “ব্লগিং কি , ব্লগিং কেন করবেনকিভাবে ব্লগার হওয়া যায় ?এই বিষয়গুলি সম্পর্কে আলোচনা করব।

ব্লগিং শুরু করার আগে কিছু বিষয় নিয়ে আপনার চিন্তাভাবনা মনস্থির করা দরকার।

এই প্ল্যাটফর্মকে আপনি কিভাবে নিতে চান ?

আপনি যদি একজন ভালো ব্লগার হতে চান তাহলে ব্লগিংকে সিরিয়াস রূপে নিতেহবে। তবেই আপনি এই অনলাইন প্লাটফর্মে “profitable” ও সফলতা পাবেন।

তাই,অনেক বন্ধুগণের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে “কেন ব্লগিং শুরু করবো” অথবা “ব্লগিং করে কি লাভ হতে পারে”?

দেখুন,বর্তমানে যতগুলি ফ্রিল্যান্সিং জব আছে তারমধ্যে ব্লগিং হচ্ছে সবথেকে profitable বিজনেস। এই অনলাইন পেশাকে ফুলটাইম ক্যারিয়ার হিসেবে বেঁছে নিতে পারেন।

ফ্রেন্ডস,এই পেশায় সাকসেসফুল হলে যেকোন ছোট-বড় কোম্পানির জব বা ব্যবসার সম পরিমাণ বা তারথেকে বেশি উপার্জন করা সম্ভব।

আমাদের দেশে ব্লগরা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা এই প্লাটফর্ম থেকে যায় করে নিচ্ছেন।

ফ্রেন্ডস,এবার ব্লগিং কিভাবে শুরু করবেন সেটি আলোচনা করার আগে,ব্লগিং কি সেই সম্পর্কে একটু জেনেনি।

ব্লগিং কি (What is Blogging)

Blog বা “weblog” এর বাংলা অর্থ হচ্ছে ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত দিনলিপি।এটি একটি অনলাইন তথ্য ওয়েবসাইট যেখানে টেক্সট,ইমেজ ও অন্যান্য অবজেক্টে দ্বারা সময়ানুক্রমিক ভাবে প্রদান করে সেই তথ্য গুলি পোস্ট আকারে ব্লগ সাইট এর শীর্ষ স্থানে উপস্থিত থাকে।

আপনার কোন একটি বিষয়ের উপর ভালো জ্ঞান থাকলে সেই বিষয় ভিত্তিক লেখা-লিখি গুলি পাবলিকের মধ্যে অনলাইনে শেয়ার করা হচ্ছে ব্লগিং।

ব্লগার কাদের বলা হয় ? (who are bloggers)

ব্লগার তাদের বলা হয় যারা ইন্টারনেটে রেগুলার কোন ব্লগে লেখা-লেখি করে। ব্লগার অনেক ধরনের হয়, কেউ কোন বেসরকারী সংস্থার হয়ে ব্লগ লিখে,অনেকেই নিজের পার্সোনাল ব্লগ ওপেন করে প্রত্যেকদিন কোনও বিষয় সম্পর্কে পোস্ট লিখে পাবলিশ করে।

সমরূপভাবে,যারা রেগুলার ইউটিউবে চ্যানেল বানিয়ে ভিডিও আপলোড করে তাদেরকে ইউটিউবার বলা হয়।সেরকম যারা রেগুলার আর্টিকেল লিখে ব্লগের মধ্যে পাবলিশ করে তাদেরকে “blogger” বলা হয়।

ব্লগিং কেন করবেন ?(reasons to start a blog)

ব্লগ্গিং হচ্ছে এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে আপনার জ্ঞান,বিচার,শিক্ষা ও চিন্তা-ভাবনা কোটি কোটি মানুষের কাছে খুব সহজেই ইন্টারনেট দ্বারা পৌঁছে যায়। এটি এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে নিজের ব্লগ ও বিজনেসকে প্রমোট করতে পারবেন।

নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ উল্লেখ করা হলো:-

  • ব্লগিং দ্বারা কোন নির্দিষ্ট বিষয় উপর নিজের মতামত কোটি কোটি মানুষের কাছে শেয়ার করা যায়। এই প্লাটফর্ম দ্বারা আপনি নিজের কথা জনসাধারণের কাছে কোন বাধা ছাড়া আত্মপ্রকাশ করতে পারবেন।
  • ফ্রেন্ডস আপনি যে বিষয় কে ভিত্তি করে ব্লগিং শুরু করবেন,আস্তে আস্তে সেই বিষয়ে উপর আপনার নলেজ অনেক গুণ বেড়ে যাবে।
  • ব্লগিং হচ্ছে অনলাইন পয়সা উপার্জনের একটি ভালো কর্মস্থান।এই প্ল্যাটফর্ম থেকে বহু মাধ্যম এর সাহায্যে ভালো আর্নিং করার সুযোগ আছে।
  • ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে আপনি নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে কানেক্ট হবেন। এছাড়া ব্লগের দর্শক আপনার বন্ধু,সহকর্মী,পার্টনার রূপেপরিণত হতে পারে।

ফ্রেন্ডস, যদি বর্তমান সময়ে আপনি ব্লগিং শুরু করতে চান,তাহলে এটি একটি ভালো সময়।এই ফিল্ডে কম্পিটিশন বেড়েই চলছে ,তাই ব্লগিং শুরু করার পরিকল্পনা থাকলে যত সম্ভব এই ফিল্ডে নেমে পরুন।

ব্লগিং করার সুবিধা (Advantages of Blogging)

বর্তমানে বহু ইয়াং জেনারেশন নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে ব্লগিং বেছে নিচ্ছেন।এটি একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজ হওয়ার ফলে এই পেশাকে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন।

এবার,ব্লগিং শুরু করার আগে এর সুবিধা গুলো জেনে নেওয়া দরকার।

নিজের ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা (Establishing Brand):- ব্লগিং এর সবথেকে বড় সাফল্য হচ্ছে লেখা-লিখির সাহায্যে নিজের মতামত,চিন্তা-ধারা বহির্বিশ্বের কাছে আত্মপ্রকাশ করা। এবার দর্শকেরা যদি আপনার চিন্তা-ধারা ও শিক্ষাকে পছন্দ করে তাহলে আস্তে আস্তে আপনার নাম ও ব্লগ বহির্বিশ্বে পরিচিত পাবে,ফলে ধীরে ধীরে আপনার ব্যান্ড Establishing হবে।

নিজের জ্ঞান শেয়ার করুন (share your knowledge):- ব্লগিং হচ্ছে এমন প্লাটফর্ম যেখানে পার্সোনাল ব্লগ তৈরি করে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল,নিউজ, বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান মুলক বিষয়গুলি দর্শকের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন। ফলে দর্শকেরা সেই সুবিধাগুলি পেয়ে আপনার ব্লগের প্রতি আকর্ষিত হবেন।

অনলাইন থেকে উপার্জন (Make Money Online):- ব্লগিং এর একটি বড় সুবিধা হচ্ছে এই প্ল্যাটফর্ম থেকে প্যাসিভ ইনকাম করার সুযোগ আছে। ফ্রেন্ডস আপনি যদি একটি “profitable blog” তৈরি করতে সক্ষম হন, তাহলে সেই ব্লগ যা আর্নিং দিবে তা কোন রেগুলার জব বা চাকরি দিতে পারবে না।

ব্লগিং দ্বারা সফল ক্যারিয়ার (full time career) :- ফ্রেন্ডস,এই প্লাটফর্ম দ্বারা একটি ফুল টাইম জব হিসাবে বেঁছে নিতে পারেন।এই জবের বেনিফিট হল এখানে অফিস টাইমে কাজ করতে হবে না। আপনি আপনার ব্লগের মালিক আপনার ইচ্ছা যখন তখন আপনি কাজ করতে পারবেন। এখানে কোন ফিক্স বেতন নেয়,যতবেশি কাজ করবেন আর্নিং এর রাস্তা ততবেশি খুলবে।

নিজের জ্ঞান শেয়ার করুন (share your knowledge) :-ব্লগিং হচ্ছে এমন জায়গা যেখানে নিজের শিক্ষাকে বা জ্ঞানকে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা যায়।আমি টেক সম্পর্কিত আর্টিকেল পোস্ট করি, যেখানে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল আর্টিকেল লিখে ইউজারদের সমস্যার সমাধান পোস্ট লিখে দেওয়ার চেষ্টা করি। সেভাবে আপনাদের যে ধরণের নলেজ আছে সেই সম্পর্কিত পোস্ট লিখে দর্শকদের সঙ্গে নিজেদের জ্ঞান,অভিজ্ঞতা ও এক্সপিরিয়েন্স শেয়ার করতে পারেন।

2021 সালে কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন?(How To Start A Blog)

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন ব্লগিং করতে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের প্রয়োজন পরে। ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাদের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে।

নতুন ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করার জন্য আপনার কাছে ২টি চয়েস আছে।

১) গুগোল এর প্রোডাক্ট blogger এরমধ্যে একটি ফ্রি একাউন্ট ওপেন করে ব্লগিং শুরু করতে পারেন। এখানে আপনি বিনা ইনভেস্টে ব্লগিং এরমধ্যে পা রাখতে পারবেন।

২) আর দ্বিতীয় অপশন হচ্ছে ,যদি একটি প্রফেশনাল ব্লগ ওপেন করতে চান তাহলে WordPress এর মধ্যে একটি ব্লগ বানাতে পারেন। এখানে আপনার কিছু টাকা খরচ হবে যথা ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করার জন্য।

ফ্রেন্ডস, আমি আপনাদের সাজেস্ট করবো যদি প্রথমবার ব্লগিং এর মধ্যে পা রাখছেন তাহলে একটি ফ্রি ব্লগ দিয়ে শুরু করুন।

আমি ফ্রি ব্লগ সম্পর্কে বিস্তারিত আর্টিকেল লিখেছি,যেখানে কিভাবে ব্লগ তৈরি করবেন তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। লিংক নিচে দেওয়া হলো :-

ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরী করার পর কি করতে হয় সেগুলো বিষয় গুলি নিচে কয়েকটি স্টেপ দ্বারা আলোচনা করব।

১) ব্লগিং করতে কি কি প্রয়োজন পরে?(Requirements for Blogging)

ব্লগিং কিভাবে শিখব

সাধারণত ব্লগিং করতে আপনার কয়েকটি জিনিসের দরকার পরবে।এই ব্লগিং পেশাতে কাজ করার আগে আপনারা কয়েকটি জিনিস রেডি করেনিন,তাহলে পরবর্তীতে কোনো অসুবিধায় পড়তে হবে না।

১) বন্ধুগণ ব্লগ ওপেন করার পর একটি পার্সোনাল gamil ও প্রফেশনাল ইমেইল একাউন্ট বানিয়ে ফেলুন। এখানে প্রফেশনাল ইমেইল ব্লগের নানুসারে রাখতে পারেন। যেমন আমার প্রফেশনাল ইমেইল হচ্ছে ([email protected])

পার্সোনাল gamil বিভিন্ন ক্ষেত্রে দরকার পড়বে।উদাহরণস্বরূপ- গুগল এ্যাডসেন্স এপ্লাই করার জন্য একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন পরে।

২) সাধারণত ব্লগিং করতে একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রয়োজন হয়।তবে আপনি এন্ড্রোইড মোবাইলের সাহায্য আর্টিকেল লিখতে পারবেন।প্লেস্টোরে “WordPress” ও “Blogger” দুই প্লাটফর্মের অ্যাপ রয়েছে , যার সাহায্যে মোবাইল দ্বারা ব্লগিং করা যায়।

৩)WordPress প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে ব্লগিং শুরু করতে চাইলে একটি কাস্টম ডোমেইন ও হোস্টিং এর প্রয়োজন পরে। তাই আপনাকে কাস্টম ডোমেইন যথা ব্লগের অ্যাড্রেস(উদাহরণস্বরূপ –techjaman.com) ও একটি হোস্টিং যথা অনলাইন সার্ভার প্রয়োজন পরে।

এছাড়া ব্লগিং করতে সেরকম কিছু দরকার পরে না,শুধু একটু অভিজ্ঞতা,স্কিল ও ধর্য্য থাকলে ব্লগিং এরমধ্যে খুব তাড়াতাড়ি সাফল্য পাবেন।

এছাড়া প্রফেশনাল ব্লগিং করতে একটি ভালো ইন্টারনেট কানেকশন অতি গুরুত্বপূর্ণ।

২) নিজের ব্লগের জন্য একটি নিচ/বিষয় বেঁছে নিন (find your niche)

find-your-niche

একটি ব্লগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সেই ব্লগের নিচ বা বিষয়। বিভিন্ন ব্লগ একটি নির্দিষ্ট বিষয় উপর ভিত্তি করে তৈরী হয়।সেই ব্লগে সাধারণত সেই বিষয়ে ভিত্তিক পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়।

যেমন -আমরা ব্লগটি হচ্ছে টেক ব্লগ তাই এখানে আপনারা টেকনোলজি সম্পর্কিত পোস্ট দেখতে পাবেন।

আপনারা যখন একটি ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরি করবেন তখন সেই ব্লগটি কোন বিষয় উপর ভিত্তি করে বানাবেন তার নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কারণ ব্লগিং প্লাটফর্মে অনেকেই পা রাখেন,কিন্তু কয়েক মাস পর তারা ছেড়ে দেই,তার একটি মেইন কারণ হচ্ছে ব্লগের niche এর ভুল সিদ্ধান্ত।

তাই বন্ধুরা ব্লগ তৈরি করার আগে কোন বিষয় নিয়ে সেটি তৈরি করবেন তার সিদ্ধান্ত আগেই করেনিন।

এখানে কিছু জিনিস দেখার আছে,যেমন যে সাবজেক্ট নিজের ব্লগের জন্য চুষ করছেন তার উপর আপনার কতটা অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান আছে ?

সেই সাব্জেক্টের উপর কতগুলি আর্টিকেল লিখতে পারবেন,মাইন্ কথা হচ্ছে সেই বিষয় উপর আপনার কতটা জ্ঞান ও ইন্টারেস্ট আছে সেটা খেয়াল ও ভাবনা-চিন্তা করে এই প্লাটফর্মে অগ্রসর হবেন।

ব্লগের নিচ সম্পর্কে জানতে ইউটিউব,গুগলের বা উইকিপিডিয়ার সাহায্য নিতে পারেন।রির্সাচ করার পর নিজের পছন্দের সাবজেক্ট খুঁজে বার করুন।

ফ্রেন্ডস ব্লগিং প্লাটফর্ম চুষ করেনিন।আপনি ফ্রিতে google এর ব্লগারের ব্লগ খুলবেন না WordPress এ কিছু টাকা খরচ করে ব্লগ ওপেন করবেন তার সিদ্ধান্ত নিন।

আরো পড়ুন –

৩) ব্লগের জন্য Domain ও Hosting ক্রয় করুন।

Domain-Hosting

friends,আপনারা যদি ফ্রিতে ব্লগিং শুরু করতে চান তাহলে Blogger খুবি ভালো প্লাটফর্ম সেখানে ডোমেইন ও হোস্টিং কিছু ক্রয় করার প্রয়োজন নেই।

কিন্তু আপনি WordPress এ প্রফেশনাল ব্লগ খুলতে চাইলে ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করতে হবে।

এবার আপনারা যদি ব্লগিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে বেঁছে নিতে চাইছেন তাহলে আমি সাজেস্ট করবো WordPress প্লাটফর্মকে চুষ করুন।

কারণ অনলাইন ইনকামের দিকথেকে WordPress এরমধ্যে blog ওপেন করা বেশি লাভজনক।

ফ্রেন্ডস, “WordPress” এ ব্লগ বানানোর জন্য একটি web hosting প্রয়োজন পরে। হোস্টিং হচ্ছে ওয়েবসার্ভার, যেখানে ওয়েবসাইটের সমস্ত ডেটা যথা posts, images ,video,files নানান ধরনের ফাইল স্টোর হয়।

এরফলে সমগ্র পৃথিবী জুরে দর্শকেরা ব্লগটি সেই সার্ভার দ্বারা অ্যাক্সেস করতে পারে।

এবার সেই সার্ভারকে অ্যাক্সেস করতে একটি এড্রেস এর দরকার হয় যেটি আমার “Domain” নামে চিনি।

Domain হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট/ব্লগের এড্রেস।যখন কোন ইউজার কোন একটি ব্লগের অ্যাড্রেস টাইপ করে তখন সেই ডোমেইন সেই সার্ভার বা হোস্টিংয়ের সাথে ইউজারকে কানেক্ট করাই এবং সেই ব্লগটি অ্যাক্সেস করতে পারেন।

তাই ওয়াডপ্রেস ব্লগ ওপেন করতে গেলে আপনাকে ডোমেইন ও হোস্টিং দুটোই ক্রয় করতে হবে।

আমার এই ব্লগের জন্য “techjaman.com” এই ডোমেইন ও “cloudways.com “ থেকে হোস্টিং ক্রয় করেছি।

WordPress ব্লগ ওপেন করতে চাইলে আপনার ও একটি ভালো হোস্টিং ও ডোমেইন ক্রয় করেনিন।

আমি আপনাদের সাজেস্ট করবো সবসমই একটি ভাল hosting company থেকে হোস্টিং ক্রাই করার চেষ্টা করবেন।

কারণ একটি ভালো হোস্টিং এর ফলে ব্লগ দ্রুত লোডিং স্পিড হয় ও বেশি ইউসার এর ভীড় লক্ষ্য করা যায়।

আমি পরবর্তী আর্টিকেলে কয়েকটি ভালো হোস্টিং সম্পর্কে আর্টিকেল পোস্ট করবো সেখানে কয়েকটি ভালো হোস্টিং কোম্পানি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ফ্রেন্ডস,হোস্টিং ও ডোমেইন ক্রয় হয়েগেলে,সেই হোস্টিংয়ের মধ্যে WordPress সফটওয়্যার ইন্সটল করে নিন। (এরজন্য আপনারা ইউটিউব ভিডিও সাহায্য নিতে পারেন।)

৪) ব্লগের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস Theme বেঁছে নিন 

ওয়ার্ডপ্রেস Theme

friends,WordPress ইনস্টল করে নিলে আপনার ব্লগ ওপেন সম্পর্ণ হবে।এবার আপনাকে সেই ব্লগটি সুন্দর ভাবে সাজিয়ে নিতে হবে।

যেহেতু একটি প্রফেশনাল blog ওপেন করছেন তাই ব্লগ যত সুন্দর দেখাবে দর্শকেরা ততবেশি আকৃষ্ট হবে।

ব্লগ আকৃষ্ট ও সুন্দর বানাতে হালকা ও “SEO optimized WordPress Theme” সিলেক্ট করতে হবে। এখানে হালকা থিম স্লিস্ট করলে ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয় এছাড়া গুগল স্লো লোড হওয়া ওয়েবসাইট পছন্দ করে না।

ফ্রেন্ডস থিম যদি ভারী হয় তাহলে ওয়েবসাইটে পেজ গুলি লোডটাইম বেড়ে যায়,এবং ইউজাররা দেরিতে লোড হওয়া সাইট পছন্দ করেনা,ফলে তারা ব্যাক ফীরে যাই যেটা ব্লগের নেগেটিভ SEO রূপে কাজ করে।

তাই আপনারা ব্লগের জন্য একটি হালকা ও SEO optimized theme ব্যবহার করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য অনেক ভালো ভালো হালকা ও SEO optimized theme আপনারা ওয়ার্ডপ্রেসে পেয়ে যাবেন তার মধ্যে কয়েকটি আমি নিজে ব্যবহার করেছি।

আমার এই ওয়েবসাইটে “GeneratePress” থিম দেওয়া আছে যেটি  ভালো coded, দ্রুত ও হালকা থিম। তাছাড়া এটি free WordPress theme

আপনারা এধরণের ভালো,ভালো হালকা ও ফ্রী থিম নিজের ব্লগের জন্য বেছে নিতে পারেন। GeneratePress” Astra theme” “OceanWP উল্লেখযোগ।

NOTE-

WordPress এর Null Theme থিম গুলো ফ্রিতে কোনো ওয়েবসাইট পেলে সেগুলি নিজের ব্লগে ইনস্টল করবেন না। এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ হ্যাক ও এর ডাটা চুরি হতে পারে।

আরও পড়ুন-

৫) ওয়েবসাইট এর speed optimization করুন।

 speed optimization

একটি ব্লগের সাফল্যের পিছনে তার লোডিং স্পিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।লোডিং speed বলতে ব্লগের পেজ ও আর্টিকেল কত তাড়াতাড়ি ওপেন হচ্ছে সেই স্পিড বলা হচ্ছে।

ওয়েবসাইটের পেজ বা আর্টিকেল লোড হতে সময় লাগলে দর্শকেরা ধৈর্যহারা হয়, এবং ব্যাক প্রেস করে ফিরে যায়।

তাই ওয়েবসাইট দ্রুত লোড করতে প্রথমেই ভালো ওয়েবহোস্টিং (hosting) এরমধ্যে নিজের ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ইন্সটল করতে হবে।

যেটা আমরা আগেই আলোচনা করেছি,এছাড়া সাইট স্পিড optimization এরজন্য আরো কয়েকটি কাজ করতে হয়,সেগুলি আমরা দেখে নেবো।

যেভাবে ব্লগের লোডিং স্পিড দ্রুত করবেন

  • সাধারণত ব্লগের speed ডিপেন্ড করে ওয়েব হোস্টিং এর উপর।তাই ,দ্রুত লোড হওয়া ওয়েবসাইট পেতে চান তাহলে একটি ভালো কোম্পানি থেকে cloud hosting এর plan ক্রয় করুন।shared hosting সাধারণত সাইট স্লো হওয়ার মূল কারণ। ভবিষ্যতে আমি এই সম্পর্কে বিস্তারিত আর্টিকেল লিখবো।
  • ওয়েবসাইটের theme অনেক ক্ষেত্রে সাইটের স্লো লোড হওয়ার কারণ হয়ে থাকে সেটা আমরা আগেই জানলাম।তাই আপনার ব্লগের জন্য একটি হালকা ও ক্লিন theme ব্যবহার করুন।এরফলে ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হবে। সেরকম কিছু থিম হচ্ছে-Astra,generatepress.
  • ওয়ার্ডপ্রেস এর সাইট দ্রুত লোড হওয়ার আরেকটি মাধ্যম হলো “caching plugin” ব্যবহার করা। ভালো হোস্টিংয়ের সঙ্গে তাদের নিজস্ব caching plugin থাকে সেটি ইনস্টল করুন।এছাড়া আপনি ফ্রী ও পেইড caching plugin ব্লগে ইনস্টল করতে পারেন। কিছু নামকরা plugin হলো –Wp rocket, WP super cache, W3 Total cache.
  • অনেক সময় ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয় বড় বড় size এর ছবি (images)।তাই আপলোড করা ইমেজ গুলির size compress করেদিলে পেজ দ্রুত লোডহবে।এর জন্য আপনি compress plugin ব্যবহার করতে পারেন। যেমন- smush

6) ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে প্লাগিন এর ব্যবহার (WordPress plugin)

WordPress plugin

ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্ম খুব পপুলার তার একটি কারণ হচ্ছে এখানে অসংখ্য প্লাগিন ব্যবহার করা যায়। WordPress প্লাগিন দ্বারা যেকোনো ব্লগ বা ওয়েবসাইটের রুপ,স্টাইল ,ডিসাইন,আর্টিকেল লেখার ধরন,speed,আরও নানান function অ্যাড করতে পারবেন।

এছাড়া ব্লগের SEO,caching,backup,এডসেন্স আরও অন্যান্য optimization এর ক্ষেত্রে প্লাগিনের দরকার পরে।

আমরা নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাগিন সম্পর্কে জানবো যেগুলি একটি নতুন ব্লগে আপনার প্রয়োজন পরে।

  • Rankmath:- rankmathহচ্ছে একটি SEO প্লাগিন। ব্লগের আর্টিকেল গুলির on-page seo ঠিক করতে এই SEO প্ল্যাগিং টি ব্যবহার করা হয়। SEO হচ্ছে এমন একটি জিনিস যেটি আপনার সাইট ও আর্টিকেল গুলি গুগলের সার্চ রেজাল্টে দেখাতে সাহায্য করে।
  • Elementor :- ওয়েবসাইট ও পেজ গুলিকে প্রফোশনাল লুক ও সুন্দর ডিসাইন দিতে এই প্লাগিনটি ব্যবহার করা হয়। এটি হলো একটি page builder প্লাগিন,যার সাহায্যে যেকোনো ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের প্রফোশনাল ডিসাইন করতে পারবেন।
  • Wordfence security :- ওয়েবসাইটের সিকিউরিটির জন্য FIREWALL ও SECURITY SCANNER খুবি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সাইট এরমধ্যে অযথা উপদ্রব করা ও হ্যাকার দের দূরে রাখবে। Wordfence Security প্ল্যাগিং Firewall & Malware Scan দুটিই করতে সক্ষম।তাই ব্লগ ওপেন করার সঙ্গে সঙ্গে Wordfence Security প্ল্যাগিং টি ইনস্টল করেনিন।
  • smush :– সাধারণত আমরা ব্লগে আর্টিকেল এর সঙ্গে ইমেজ ব্যবহার করেথাকি।ইমেজে এর সাইজ অনেক বড় হওয়ার ফলে পেজ গুলি লোড হতে টাইম লাগে। তাই ইমেজ গুলিকে সাইজে ছোট করার জন্য একটি কম্প্রেসার প্লাগিন ব্যবহার করলে ছবি ও সাইট আরো দ্রুত লোড হয়।এই ধরণের একটি পপুলার প্লাগিন হচ্ছে smush.
  • W3 Total Cache :- ব্লগের এর speed কে অপ্টিমাইজ করার জন্য সাধারণত caching প্লাগিন ব্যবহার করা হয়।এই প্ল্যাগিং এর সাহায্যে ওয়েবসাইট এর css / JavaScript minify গুলি optimize করতে পারবেন,ফলে সাইট দ্রুত লোড হয়।
  • UpdraftPlus:- UpdraftPlus হচ্ছে একটি অটোমেটিক অফলাইন ব্যাকআপ প্ল্যাগিং।ওয়েবসাইট এর ডাটা ও ফাইল গুলি ফ্রীতে এই প্লাগিন দ্বারা ব্যাকআপ নেওয়া যায়।

Site Kit by Google:- এটি গুগলের অফসিয়াল ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন।আপনার ব্লগ গুগলের সঙ্গে কানেক্ট করার তার বিভিন্ন সার্ভিসের সমস্ত ডাটা এই প্ল্যাগিং দ্বারা ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে পেয়েযাবেন। এই প্ল্যাগিং এরমধ্যে Search Console,Analytics,AdSense,PageSpeed Insights অন্যান্য ফীচার এর ডাটা ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে পেয়ে যাবেন।

7) ব্লগের মধ্যে Articles Writing :

articel writing

বন্ধুগণ,ব্লগের ডিসাইন,থিম,প্ল্যাগিং সেটআপ করার পর তার মধ্যে পোস্ট লিখা শুরু করতে হবে।

ব্লগে পোস্ট বা কনটেন্ট হচ্ছে সবকিছু,কনটেন্ট গুলি যদি সুন্দরভাবে লেখা হয় তাহলে ওয়েবসাইটে প্রচুর দর্শক আসবে। ব্লগে নিয়মিত ভালো পোস্ট পাবলিশ করলে ওই দর্শক বারংবার ভিসিট করে।

এছাড়া ব্লগে যত বেশি ভিসিটর তত বেশি ইনকাম,সেটা নিশ্চই জানেন।তাই ব্লগে যত বেশি in-dept articles (গভীর-নিবন্ধ)পাবলিশ করবেন তত বেশি ওয়েবসাইট এর জনপ্রিয়তা বারবে।

কিভাবে একটি ব্লগে পোস্ট লিখবেন?

  • ব্লগের কনটেন্ট :- ব্লগের মধ্যে যে আর্টিকেল গুলি লিখবেন তাদের কনটেন্ট ইউনিক (UNIQUE) ও অরিজিনাল (original) হওয়া দরকার। গুগল বা দর্শকরা অন্যের কপি করা আর্টিকেল পছন্দ করে না।আপনি যে বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখবেন তার সম্পর্কে বিস্তারিত লিখুন,এরফলে ভিসিটরা সেই বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন।
  • পোস্টের মধ্যে ছবি ব্যবহার :- আপনার আর্টিকেলের সঙ্গে সেই বিষয় সম্পর্কিত ছবি ব্যবহার করুন।ফলে ইউসার দের সেই টপিক বুঝতে সুবিধে হবে।পোস্টের সঙ্গে ছবি অ্যাড করলে SEO তে হেল্প হয়।ব্লগ পোস্টের bounce rate কমবে ও Session Duration টাইম বারবে ও আর্টিকেল তারাতারি গুগলে rank করে।
  • সহজ এবং সরল প্রবন্ধ লেখন –ব্লগার মধ্যে যে আর্টিকেল গুলি লিখবেন সেগুলি খুব সহজ-সরল  শব্দে বর্ণনা করবেন। ব্লগে নানান ধরনের দর্শক ভিজিট করবে,তাই লেখার মধ্যে সেই ধরনের ভাষা প্রয়োগ করবেন যেগুলি সবার বুঝতে সুবিধা হয়।এছাড়া  আর্টিকেলের কন্টেন্টগুলি ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ লিখবেন ফলে ইউসার দের পড়তে সুবিধা হয়।ঠিক যেমন খবরের কাগজে ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ আর্টিকেল গুলি লেখা হয়।

 8) ব্লগ ও আর্টিকেল গুলির সঠিক SEO :

search engine optimization

ফ্রেন্ডস আর্টিকেল লেখালেখি করার পর সেগুলি গুগলের মধ্যে সাবমিট করতে হয়।গুগল বা search engines ওয়েবসাইটে সেইসব দর্শকদের পাঠাই যারা সেই পোস্টটির জন্য গুগলে বা অন্য search engines এর কাছে সার্চ করছেন।

SEO কি – 

আর্টিকেল গুলি গুগলের Ranking আনতে হলে,blog ও আর্টিকেল গুগলের “algorithm” অনুসারে লিখতে ও সাজাতে হয়।এরফলে গুগল গুণমান সহ বহু ইউসার serech রেজাল্ট দ্বারা সেই ওয়েবসাইটে সেন্ড করে।

সাধারণত seo এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে “search engines” থেকে অর্গানিক ট্রাফিক পাওয়া যায়।সেটি google হোক বা অন্যকোনো search engines.যেমন –“Bing”,”Yahoo”

SEO দুই ধরণের হয় –

  1. On Page SEO  

on page seo হচ্ছে ব্লগ ও তার মধ্যে যে আর্টিকেল লিখবেন সেগুলি গুগলের অ্যালগরিদম অনুসারে সাজাতে হয়। এখানে যে পোস্ট লিখছেন তার কীওয়ার্ড,টাইটেল,হেডিং,writing,ছবি ইত্যাদি ব্যবহার করতে হয়।এগুলি চেক করার জন্য উপরে একটি SEO প্লাগিন এর নাম বলছি “Rank Math” এটি ব্লগে ইনস্টল করেনিন।

On Page SEO
  • OFF Page SEO

গুগলের নজরে ওয়েবসাইট এর ভ্যালু বরাতে ও ব্লগের পোস্ট গুলি টপ ১০ rank এ নিয়ে আসতে OFF Page SEO বড় ভূমিকা পালন করে।OFF Page SEO হচ্ছে backlink তৈরী করা,Social media sharingDomain and Page authority improveLink building ইত্যাদি। আপনারা নিজের ওয়েবসাইট এর Domain and Page authority,ব্যাকলিংক ইত্যাদি MOZ ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন।

9) ব্লগ/ওয়েবসাইট google search console এরমধ্যে সাবমিট করুন:

google search consol

ফ্রেন্ডস, আপনাদের ব্লগ যখন সম্পূর্ণ তৈরী হয়ে যাবে ও তারমধ্যে ১০-২০ টা আর্টিকেল পাবলিশ করে ফেলবেন তখন সেই ব্লগটিgoogle search consoleএরমধ্যে সাবমিট করেনিন।

সার্চ কনসোলের মধ্যে ব্লগের পোস্টগুলির সমস্ত গতিবিধি গুগলের মধ্যে দেখতে পাবেন। এখানে কোনো পোস্ট /পেজ এর ranking,Performance,ইনডেক্স এর পরিদর্শন করা যায়।

11)Blog থেকে Adsence ও অন্যান্য পদ্ধতিতে টাকা আয় করুন:

google adsence

ফ্রেন্ডস,ব্লগ গুগলের মধ্যে সার্চে আসার পর দেখবেন পোস্ট গুলি ধীরে ধীরে ranking করতে থাকবে।আস্তে আস্তে ওয়েবসাইটের মধ্যে দর্শক আসা শুরু করবে।

যখন গুগল সার্চ দ্বারা বহু পরিমানে “organic traffic” ব্লগে আশা শুরু করবে,তখন ব্লগ থেকে আয় করার ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করতে পারেন।

ব্লগ থেকে আয় করার অনেক পদ্ধতি আছে যথা –Adsence,affiliate marketing,link promote, product promotion ও আরো অন্যান্য মাধ্যম আছে।

আপনারা ব্লগের নিচ(বিষয়),ভাষা ও লোকশন অনুসারে নিজের আয় করার মাধ্যম বেঁছে নিন।

আরো পড়ুন –

সবশেষ কথা,

আশাকরি বন্ধুরা, ব্লগিং এর মধ্যে ক্যারিয়ার শুরু করতে চাইলে কিভাবে এই প্লাটফর্মে পা রাখবেন তার বেসিক নলেজ গুলি জানতে পেরেছি।

উপরে আমি যে পয়েন্ট গুলি নিয়ে আলোচনা করেছি,আপনারা এই ফিল্ডে নামার আগে সেই স্টেপ গুলির সম্পর্কে পুরোপুরি নলেজ গ্রহণ করেনিন।

কারণ,এখানে যা কিছু করবেন সেগুলি আপনাকে নিজেই করতে হবে।আপনি কোনো স্থানে সমস্যাই পরলে তার সমাধান আপনাকেই খুঁজে বার করতে হবে।

তাই ব্লগিং ফিল্ডে নামার আগে এর সম্পর্কে সবকিছু জেনেনিন।

ফ্রেন্ডস,ব্লগিং শুরু করার পর এই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে হলে অনেক বিষয়ের উপর জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

বন্ধুগণ,আমি পরামর্শ দিব আপনারা ওয়েবসাইট ওপেন করার পর – আর্টিকেল সিলেকশন,ফটোশপ এডিট,পোস্ট writing স্কিল,SEO,affiliate marketing,Google Analytics

ইত্যাদি বিষয় গুলোর উপর বিস্তারিত নলেজ অর্জন করুন।

আপনারা ইউটউব ,গুগল ও উইকিপেডিয়ার মধ্যে ইংলিশ,বাংলাতে বহু টিউটোরিয়াল পাবেন,যেখানে ওই বিষয় গুলির সম্পর্কে আরও বিস্তারিত নলেজ অর্জন করতে পারবেন।

ওই সাবজেক্ট গুলি যত বেশি নলেজ গ্রহণ করবেন,তত বেশি এই প্লাটফর্মে সফলতা পাবেন।

ফ্রেন্ডস,আপনারা রিসার্চ করে যে শিক্ষা অর্জন করবেন সেগুলি নিজের ওয়েবসাইটে এপলাই করুন,দেখবেন খুব তাড়াতাড়ি সফলতা পাবেন।

একজন সফল ব্লগার হতে হলে আপনাকে এই কথা গুলি খেয়াল রাখতে হবে।

আশাকরি,২০২১ সালে কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন (how to start blogging in 2021) তার একটি বেসিক ধারণা দিতে পেরেছি।আপনাদের এই পোস্টি কেমন লাগলো কমেন্ট করে অবশই জানাবেন। ধন্যবাদ।

error: Content is protected !!
Share via
Copy link