বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম।(Earn from bangladeshi apps 2021)

বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম:- অনেক বন্ধুগণ দেশীয় অ্যাপ bd earning app গুলির সম্পর্কে জানতে চান।তাই এই পোস্টে কয়েকটি সেরা বাংলাদেশি টাকা আয় করার apps সম্পর্কে আলোচনা করবো।

বন্ধুগণ এখন আমরা এমন ডিজিটাল যুগে আবর্তন করেছি যেখানে ইন্টানেট আমাদের দৈনন্দিন কাজের অঙ্গ।এই ইন্টারনেটের দৌলতে আজ সমস্ত কাজ অনলাইনে দ্বারা সম্ভব।

উদাহরণস্বরূপ,বলা যেতে পারে,এখন যেকোন ব্যাংকিং কাজ মোবাইল বা কম্পিউটার এর সাহায্যে অনলাইনে করে থাকি।

বিভিন্ন প্রাইভেট ও গভারমেন্ট সেক্টর গুলি তাদের কাজকর্ম অনলাইনে ট্রানস্ফার করার ফলে,এখানে একটা কাজের চাহিদা লক্ষ্য করা যায়।

bd earning app
bd erning apps

আমাদের সবার কাছে স্মার্টফোন রয়েছে,আর স্মার্টফোন থেকে আমরা সমস্ত যাবতীয় ইন্টারনেটে কাজ করেথাকি।কিন্তু আপনি কি জানেন এই স্মার্টফোন থেকে খুব সহজেই অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন ?

দেশ-বিদেশের ছেলেমেয়েরা বর্তমানে ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস দ্বারা ভালো পরিমাণ রোজকার করছেন।

বন্ধুগণ,বর্তমানে আপনি যে দেশেই বসবাস করুন না কেন,ইন্টারনেট থেকে উপার্জন সবার নাগালে চলে এসেছে।

২১ শতাব্দীতে উন্নত টেকনোলজির দৌলতে অনলাইন আর্নিং করা এখন অনেক সহজ। আপনি জাস্ট একটি স্মার্টফোন থেকে মাসে হাজার হাজার টাকা রোজকার করে নিতে পারেন।

আমাদের মধ্যে অনেকেই বিদেশের বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট থেকে ভালো উপার্জন করছেন।তবে আমরা এখানে কয়েকটি দেশীয় বাংলাদেশি অ্যাপ যথা (বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম)করার সম্পর্কে জানবো।

বাংলাদেশি অ্যাপ বা ওয়েবসাইট গুলির মধ্যে কাজ করার বড় বেনিফিট হচ্ছে এখানে পেমেন্ট রিসিভ খুব সহজ। যেকোনো একাউন্টে বিকাশ,নগদ বা কোন ব্যাংক একাউন্টে খুব সহজেই পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন।

অনেকের প্রশ্ন থাকে যে বাংলাদেশ থেকে কোন কোন মেথড দ্বারা অনলাইন ইনকাম করা যায়। এখানে অনলাইন আয় করার সুবিধা গুলি কি কি?তাছাড়া দেশীয় সফটওয়্যার বা apps গুলোর সাহায্যে কত টাকা ইনকাম করা।

আমরা নিচে এই আর্টিকেলে এই ধরনের প্রশ্নগুলো উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।

ফ্রেন্ডস,আপনারা যদি বাংলাদেশি অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে নিচের আর্টিকেলটি মনযোগ সহকারে পড়ুন।

বাংলাদেশের অ্যাপ থেকে কি সত্যি ইনকাম করা যায়?

বন্ধুগন আমরা যেকোনো অনলাইনে কাজ করার আগে প্রথমেই চিন্তা করি সেই সংস্থাটি কতটা নির্ভরযোগ্য ও বা বিশ্বাসযোগ্য।

এখানে সবার প্রশ্ন হচ্ছে এই দেশীয় অ্যাপগুলির উপর কতটা বিশ্বাস করা যাবে।এখানে পেমেন্ট সিস্টেম কিরকম? কখন পেমেন্ট করে,কত টাকা পেমেন্ট করে ও কিভাবে সেই পেইমেন্ট করে।

আপনাদের প্রথমেই একটা ওয়ার্নিং দিচ্ছি,কোনো বিশ্বাসযোগ্য সংস্থা ছাড়া যেকোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে কিছু টাকার বিনিময়ে কাজ করতে যাবেন না।

কারণ এখন অনলাইনে বহু মানুষ স্ক্যাম ও প্রতারিত হচ্ছে। তাই আপনারা কোনো অজানা সাইট বা app এ কাজ করার আগে তার সম্পর্কে রিসার্চ করে নিবেন।

আমরা এখানে যে দেশীয় app গুলি নিয়ে কথা বলবো সেগুলি খুব পরিচিতি ও বহু মানুষে এই প্লাটফর্ম গুলি থেকে আর্নিং করছেন।

আপনারা এই প্লাটফর্ম গুলির উপর বিশ্বাস রাখতে পারেন এগুলি বাংলাদেশের নামকরা সংস্থা ও বিশ্বাসযোগ্য সম্পূর্ণ।তাছাড়া এই সংস্থা গুলোর মধ্যে যারা কাজ করেন তাদের পেমেন্ট নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

কয়েকবছর আগে বাংলাদেশের অনলাইন প্লাটফর্ম গুলিতে কেউ কাজ করতে পছন্দ করতেন না,এখানে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা যেত। তাছাড়া আর্নিং খুব একটা বেশি হতো না।

বর্তমানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনেক বদলে গেছে।বিদেশের সংস্থা গুলির পাশাপাশি বাংলাদেশের অনলাইন আরনিং করার পরিকাঠামো অনেক উন্নত হয়েছে।

হ্যাঁ হয়তো বিদেশের অনলাইন সংস্থা গুলি যে পরিমাণ ডলারে ইনকাম দেয়,ততটা আয় না হলেও একটা মোটামুটি ভালো টাকা উপার্জন করা অপর্চুনিটি পেয়ে যাবেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে বহু অনলাইন আর্নিং অ্যাপ তৈরি হয়েছে যেখানে ছোট ছোট কাজ করে ভালো পরিমাণ আর্নিং করতে পারবেন।

হ্যাঁ তবে এখানে সঠিক অ্যাপের মধ্যে কাজ করতে হবে যেখানে ঠিকঠাক পেমেন্ট দেই।

আমরা নিচে সেই ধরনের অ্যাপ সম্পর্কে আলোচনা করব যেগুলি বিশ্বাসযোগ্য ও ভালো ইনকাম দেই।

বাংলাদেশের অ্যাপ থেকে আয় করার সুবিধে ?

আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা সাধারণত বিদেশের প্লাটফর্ম গুলির সঙ্গে কাজ করতে ভালোবাসেন।কেননা সেখানে ইনকাম ভালো আসে ও এভেলেবেল কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।

আপনাদের মনে প্রশ্ন জগতে পারে,কেন আপনারা এই দেশের অনলাইন(app বা ওয়েবসাইট)গুলিতে কাজ করবেন?এখানে কাজ করার সুবিধা গুলি কি?

বন্ধুগণ দেশীয় সংস্থা গুলি একেবারে অকোজো তা নই।এখানে রোজকার করার অনেক বেনিফিট আছে আমরা সেগুলি আলোচনা করব।

প্রথমেই আপনারা জেনে রাখুন,যদি অ্যাপের মধ্যে কাজ করার চিন্তা ভাবনা করছেন তাহলে দেশীয় অ্যাপগুলি থেকে ইনকাম করার সুবিধা বেশি পাওয়া যায়।

যেমন আপনি যদি কোনো app থেকে অনলাইন ও oflline দুটোই সার্ভিস দিতে চান তাহলে দেশীয় app দ্বারা সম্ভব।

উদাহরণস্বরূপ- ফেইসবুক মারকেটপ্লেস,বিভিন্ন ব্যাংকিং অ্যাপ,ড্রাইভিং অ্যাপ,ফুডস অ্যাপ,বিভিন্ন শপিং সাইট এর অ্যাপ ইত্যাদি ইত্যাদি।

এখানে কাজ গুলি সাধারণত মোবাইলে app ইনস্টল করে করেত হয়,দেশীয় কাজ ও app হওয়াতে এদের সুবিধা গুলি খুব ভালো পাওয়া যায়।

মোবাইলে Bangladeshi Income App গুলির মধ্যে কি ধরণের সুবিধে বা বেনিফিট পাবেন তার কয়েকটি পয়েন্ট উল্লেখ করাহলা।

#দেশীয় সন্থার বিশ্বাসযোগ্যতা :

ফ্রেন্ডস বিদেশের unknown app গুলিতে কাজ করে টাকা পাবেন তার কোন গেরান্টি নেই।এমন বহু কেস আসে যেখানে পশ্চিমাদেসি app গুলিতে আমাদের দেশের ছেলেরা ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে টাকা পায়নি।

আমাদের অনেক বন্ধু বান্ধবী বিদেশের বিভিন্ন অ্যাপের মধ্যে কাজ করে তার টাকা উইথড্র নিয়ে টেনসনে থাকতো।

এমন অনেক প্রতারণা মধ্যে পড়েছে যেখানে কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা উইথড্র সময় বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সাধারণত এই ধরনের প্রতারণা বাংলাদেশের app গুলিতে কম দেখা যায়।দেশীয় সংস্থা হওয়াতে এগুলো একটু বেশি বিশ্বস্ত সম্পন্ন।

কারণ এখানে বেশিরভাগ লোকাল ছেলে কাজ করে, কিছু গন্ডগোল দেখা দিলে সংস্থার প্রতি যে কোনো রকমের স্টেপ নেওয়া যায় যেহেতু সেটি দেশের মধ্যে অবস্থিত।

[Note -আপনারা যখন কোন দেশি -বিদেশি অ্যাপের মধ্যে কাজ করবেন তার আগে সেই অ্যাপ ও সংস্থার সম্পর্কে গুগল বা ইউটিউবে পুরো যাচাই করে নিবেন। এদের পেমেন্ট সিস্টেম ও কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা এটা যাচাই করার পর সেখানে কাজ করতে শুরু করবেন]

আমার সাজেস্ট কোন বিশ্বাসযোগ্য স্থান থেকে রিভিউ পাওয়ার পর সেখানে কাজ করবেন,তাহলে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যাবে।

#সহজ পেমেন্ট সিস্টেম :

যেকোন দেশীয় অ্যাপের মধ্যে কাজ করার সবথেকে বড় সুবিধা হচ্ছে তার পেমেন্ট সিস্টেম। এটি বাংলাদেশের সমস্ত অ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

আমি 100% গ্যারান্টি এখানকার অ্যাপে কাজ করলে লোকাল দের জন্য Payment Method নিতে আশা করি কোনো অসুবিধা হয় না।

বিদেশের app গুলিতে কাজ করলে পেমেন্ট রিসিভ করতে সবথেকে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যেটি দেশীয় অ্যাপ এর ক্ষেত্রে খুব কম দেখা যায়।

এখানে একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলি- ধরুন আপনি কোন বিদেশী অ্যাপ অথবা অনলাইন প্লাটফর্মে কাজ করলেন।এবার বেশিরভাগ সময় দেখা যায় তারা শুধুমাত্র পেপালের মাধ্যমে পেমেন্ট উইথড্র করতে হয়। 

এক্ষেত্রে বাংলাদেশে যেহেতু পেপালের সার্ভিস অ্যাভেলেবেল নেই সেক্ষেত্রে আমাদের দেশের ছেলেরা খুব সমস্যায় পড়েন।

এক্ষেত্রে আপনি দেশীয় সংস্থা গুলির সঙ্গে কাজ করেন তাহলে এই payment গুলি সাধারণত আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট,BKash Payment, Nogod Payment, rocket বা অন্যান্য পদ্ধতিতে খুব সহজেই উইথড্র করতে পারবেন।

অনলাইনে আয় করার বিভিন্ন উপায়…

কিভাবে বাংলাদেশি অ্যাপ দিয়ে টাকা ইনকাম করবেন?(বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম )

ফ্রেন্ডস দেশীয় অনেক ভালো ভালো app আছে যেখানে অনেকেই উপার্জন করছেন,আমরা এখানে সেই অ্যাপ গুলি সম্পর্কে ও তার মাধ্যম গুলি বিস্তারিত জানবো।

নিচে আমরা যে অ্যাপ গুলির সম্পর্কে জানবো তার মধ্যে ছোট ছোট মাইক্রো জব ও অফলাইনে কাজ করে উপার্জন করতে পারবেন।

এখানে শুরুতে খুব বেশি আয় না আসলেও, ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে ইনকাম ও বাড়বে। তাই আমি প্রথমেই বলেদিচ্ছি এখানে ভাল ইনকাম করতে হলে দৈহিক ও মানসিক পরিশ্রম করতে হবে।

আপনি এখানে যত পরিশ্রম করবেন আপনার অভিজ্ঞতা ও রোজকার ততই বাড়তে থাকবে।বাংলাদেশের অ্যাপগুলো থেকে ইনকাম করার অনেক কয়েকটি মাধ্যম রয়েছে।

যেমন আফিলিয়েট মারকেটিং,বিভিন্ন রেফার করে ক্যাশ ব্যাক,app ডউনলোড ও শেয়ার,ব্যাংকিং অ্যাপ, ড্রাইভিং ও ফুডস অ্যাপস আরও অন্যান্য।

কোন ধরণের বাংলাদেশি অ্যাপ দ্বারা মোবাইলে ইনকাম হয় :-

ফ্রেন্ডস,উপরে আমার বাংলাদেশের অ্যাপ থেকে ইনকাম করার সম্পর্কে ও সুবিধা গুলো বিস্তারিত জানলাম।

এবার আমরা মূল টপিক সেই অ্যাপগুলির সম্পর্কে জানবো যেগুলি মোবাইল ও কম্পিউটার থাকে ব্যবহার করতে পারবেন।

এই অ্যাপগুলি নিয়ে কথা বলার আগে একটা কথা বলেদি।এক দু বছর আগে এই অ্যাপ গুলো যখন নতুন চালু হয়েছিল তখন এর মধ্যে ইউজার সংখ্যা অনেক কম ছিল,তাই তখন ইনকাম অনেক গুণ বেসেছিল।

এখন অনেক ইউজার হওয়াতে ইনকামের পরিমাণ কমে গিয়েছে,তবে হ্যাঁ আপনি পরিশ্রম করলে তার ফল ভালো পাবেন এটা 100% গ্যারান্টি।

বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে বহু অনলাইন আর্নিং আর্নিং অপরচুনিটি তৈরি হয়েছে যেখানে ভালো পরিমাণে রোজগার করা যায়।

হ্যাঁ আমি হয়তো সেই সব অপরচুনিটি এই আর্টিকেলে কভার করতে পারবো না,তবে আপনি রিসার্চ করলে সেগুলো খোঁজ পেয়ে যাবেন।

এছাড়া আমার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন অনলাইন আর্নিং সম্পর্কে আগেই আলোচনা করেছি আপনারা তার লিংক গুলি নিচে পেয়ে যাবেন।

এখানে আমি সেই অ্যাপগুলি কভার করব যেগুলি বিশ্বস্ত সংস্থার তরফ থেকে রিলিজ করা হয়েছে,তাই এই ধরণের অ্যাপ এর সংখ্যা বাংলাদেশে কম হলেও ১০০% গ্যারান্টি টাকা পাবেন।

friends, এমন অনেক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ আছে যেগুলি গেম খেললে কিছু পয়সা পাবেন। যেমন -Lucky Spin, Solving Math Quiz,Watch Ads, Gaining Point.

এই অ্যাপগুলি বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে রেফার করেও কিছু পয়সা এক্সট্রা আর্নিং আসবে। অবশ্য তার জন্য তাকে আপনার রেফারেল কোড দ্বারা একাউন্ট ওপেন করতে হবে। তারজন্য মোটামুটি 100 টাকা পেতে পারেন।

তবে friends,এখানে আমরা সেই ধরনের অ্যাপ নিয়ে কথা বলব যেখানে পার্ট টাইম থেকে ফুলটাইম কাজ করতে পারবেন।

নিচে পরপর কয়েকটি অ্যাপ সম্পর্কে বলা হল –

1) Uber DriverBest Earning Android App

বন্ধুগণ, আপনারা যারা পার্টটাইম কাজের জন্য একটি জবের খোঁজ করছেন ঢাকার মতো বড় শহরে,তাদের একটি ভাল কাজের অপরচুনিটি আছে।

যারা গাড়ি ও বাইক ড্রাইভ করতে জানেন ও এগুলি চালাতে ভালোবাসেন তাদের জন্য খুবই ভালো খবর।

হ্যাঁ,বন্ধুরা আপনারা এখন গাড়িও বাইক চালিয়ে খুব সহজেই নিজের প্যাশনকে রোজকারে পরিণত করতে পারেন। উবের মত সংস্থাগুলি সেই অপরচুনিটি করে দিয়েছে।

ভাবছেন আমার তো গাড়ি নেই কিভাবে এখান থেকে ইনকাম করব। চিন্তা নেই আপনার বাইক থাকলেই Uber থেকে আর্নিং সম্ভব।

এবার বন্ধুরা যারা এই পেশাতে কাজ করতে ইচ্ছুক তারা উবের অ্যাপ এর মধ্যে Sign up করেনিন।এর পরে কি কি ডকুমেন্টস লাগবে সেগুলি ইন্টারনেট থেকে জেনে নিন,সব ঠিকঠাক হলে কাজ করতে শুরু করে দিন।

ফ্রেন্ডস,আপনারা এই সার্ভিস থেকে মাসিক বিশ-ত্রিশ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।হা তবে এটি দহিক পরিশ্রম app শুধু একটি মাধ্যম ।

2) BKash Limited

বর্তমানে বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে বিকাশ সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তাঅর্জন করেছে।

বাংলাদেশের বেশি সংখ্যক মানুষ টাকা লেনদেন করার ক্ষেত্রে বিকাশকে ব্যবহার করে থাকেন। বিকাশ দ্বারা ডিজিটাল লেনদেন মাল্টিমিডিয়া ফোন ও স্মার্টফোন দুটোতেই ব্যবহার করা যায়।

তবে বর্তমানে স্মার্টফোনে ব্যবহার সংখ্যা বাড়াতে BKash অ্যাপটি সবাই ব্যবহার করতে শুরু করেছেন। বিকাশ অ্যাপের মধ্যে একজন কাস্টমার হিসেবে আপনি বিভিন্ন সুবিধাবলি উপলব্ধি করতে পারেন।

শুধু তাই নই,বিকাশ ইয়াং ছেলে-মেয়েদের জন্য একটা সুন্দর অপরচুনিটি তৈরি করে দিয়েছে।আপনারা বাড়িতে বসে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দ্বারা খুব সহজেই এই সংস্থা থেকে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন।

আপনাদের বিকাশ অ্যাপ মোবাইলে না থাকলে প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন।এর মধ্যে সাইন আপ করলেই 150 * টাকা পর্যন্ত বোনাস পাবেন।

BKash অফারের শর্তাবলী:

শর্তাবলীবোনাস 
app থেকে একাউন্ট খুলে প্রথমবার লগ ইনে ২৫ টাকা 
যেকোনো মোবাইল নাম্বারে রিচার্জ বা ক্যাশ আউটে করুন (লগ ইনের ৭ দিনের মধ্যে) ২৫ টাকা
নিজের মোবাইল নাম্বারে ২৫ টাকা রিচার্জে প্রতিবার ২৫ টাকা বোনাস (লগ ইনের ৭ দিন পর ও পরবর্তী ২ মাস পর্যন্ত, প্রতি মাসে ১ বার করে)৫০ টাকা 
ডেবিট কার্ড থেকে নিজের একাউন্টে ১,০০০ টাকা বা তার বেশি অ্যাড মানিতে প্রতিবার আপনি ২৫ টাকা বোনাস পাবেন।(লগ ইনের ৭ দিন পর ও পরবর্তী ২ মাস পর্যন্ত, প্রতি মাসে ১ বার করে)৫০ টাকা 
টোটাল বোনাস১৫০ টাকা

[সতর্কবার্তা :-বন্ধুগণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অফার ও তার শর্তাবলী গুলি চেঞ্জ হতে পারে, তবে আমি চেষ্টা করব সেগুলি তাড়াতাড়ি আপডেট করার। আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- www.bkash.com]

বিকাশ অ্যাপে বন্ধু বান্ধবদের রেফার করলেই,সেই রেফার করা লিংক থেকে কেউ অ্যাপ ডাউনলোড এবং লগ ইন করে লেনদেন করলেই আপনি ১০০ টাকা বোনাস পাবেন।

[সতর্কবার্তা-সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অফার ও তার শর্তাবলী গুলি চেঞ্জ হতে পারে]

এখানে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম শেয়ার করতে পারেন।

তারা সেই রেফার লিংক থেকে সাইন আপ করলে বেশ কিছু টাকা আয় হয়।

এছাড়া আরও কয়েকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ আছে যেমন নগদ,রকেট সেগুলি signup ও রেফার করে টাকা ইনকাম করাযায়।

আরো পড়ুন –

3) Flexiload business

বন্ধুগণ, আপনারা বাড়িতে বসে আরেকটি সরল ব্যবসা স্মার্টফোনের সাহায্য করতে পারেন সেটি হয়েছে মোবাইল রিচার্জ। এটিকে আমরা ফ্লেক্সিলোড ব্যবসা বলেথাকি।

এখন মার্কেটে এমন অ্যাপ চলে এসেছে যেখানে সকল অপারেটর সিম গুলিতে মাত্র 15 সেকেন্ডে আপনি রিচার্জ করে দিতে পারবেন।

গ্রাম অঞ্চলের লোকেরা অনেকেই মোবাইল রিচার্জ করতে দোকানপাটে যান।এবার আপনি যদি সেইসব কাস্টমার গুলি রেগুলার পান এছাড়া নিজের পরিচিতিদের লোকদের মোবাইল রিচার্জ করে দিতেপারেন তাহলে কিছু এক্সট্রা ইনকাম করতে পারবেন।

মার্কেটে বহু Flexiload সার্ভিস এভেলেবেল, এবং এদের বিভিন্ন সার্ভিসের বিভিন্ন ধরনের কমিশন থাকে।

মোটামুটি ধরুন আপনি যদি 1000 টাকা রিচার্জ করতে পারেন তাহলে ২৭ টাকা থেকে 30 টাকার মধ্যে কমিশন পাবেন,সেভাবে 500 টাকা রিচার্জ করে 13 থেকে 15 টাকা কমিশন পেতে পারেন।

বন্ধুগণ,এই বিজনেস বিভিন্ন পজিশন আছে রিটেলার,ডিলার ও তাদের কমিশন আলাদা আলাদা হয়ে হয়ে থাকে।

তাই প্রথমেই আপনি রিটেইলার হিসেবে নিযুক্ত হন তারপরে সফল হলে ডিলার হিসেবে কাজ করতে পারেন।

4) Pathao Drive

বন্ধুগন আমরা আগে উবের সম্পর্কে আলোচনা করলাম,কিন্তু বাংলাদেশে আরেকটি জনপ্রিয় অ্যাপের নাম হচ্ছে পাঠাও ড্রাইভ

যদি আপনারা শহরের দিকে বসবাস করেন তাহলে খুব সহজেই নিজের গাড়ি বা মোটরসাইকেলকে আর্নিং করার বাহন রূপে পরিণত করতে পারেন।

চিন্তা নেই, যাদের মোটরসাইকেল নেই শুধু সাইকেল থাকলে ও আর্নিং হবে।

বাংলাদেশের অনেক যুবক পাবলিককে এই সার্ভিস দিয়ে মাসে ২৫ হাজার টাকা বা তারবেশি ইনকাম করে নিচ্ছেন।

এখানে যারা পার্ট টাইম কাজের জন্য কোন কাজ খুঁজছেন তারা পার্মানেন্ট চাকরির পাশাপাশি এই সার্ভিস ব্যবহার করে একটা ভালো আর্নিং করতে পারবেন।

আপনারা ছুটির দিনগুলিতে এই সার্ভিসের সাহায্য কিছু এক্সট্রা আর্নিং করে নিতে পারেন।

এখানে join করা খুব সহজ,প্লেস্টোর থেকে app ইনস্টল করে নিন,তারপর অ্যাপের মধ্যে চারটি অপশন পাবেন গাড়ি,মোটর সাইকেল,অটোরিক্সা ও সাইকেল।

যে বাহন টি দিয়ে সার্ভিস দিতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।পরবর্তী স্টেপে এনআইডি কার্ডের তথ্য,ছবি গাড়ির তথ্য,ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি গুলি ফিলাপ করে রেজিস্টার হয়ে যান।

বাস,এক বার রেজিস্টার হয়ে গেলে আপনি এই সার্ভিসের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন।

5) Airbnb

বন্ধুগন,Airbnb বাংলাদেশি অ্যাপ গুলির মধ্যে আরেকটি ইনকাম করার ভাল মাধ্যম। আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো Airbnb সম্পর্কে জানেন।

কিন্তু যারা এই নামটি প্রথম শুনছেন অর্থাৎ Airbnb কি সেই সম্পর্কে বলেদি।

Airbnb হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল রুম বা ঘর বুকিং সার্ভিস। এই app দ্বারা বাসায় বসে পৃথিবীর অনেকগুলি দেশে থাকার জন্য রুম বুকিং করতে পারবেন।

সেইরকম আপনি যদি ঢাকায় বসবাস করেন তাহলে Airbnb দ্বারা রুম গুলির অ্যাড করতে পারেন।

আপনার পার্শ্ববর্তী লোকালয়ে যেসব লোকেরা বিদেশিদের ঘর ভাড়া দিতে রাজি তাদের রুমগুলি Airbnb এর মধ্যে হোস্ট করাতে পারেন।

এই অ্যাপ দ্বারা গেস্ট বুকিং করলে,তার বদলে আপনি ঘর মালিকদের কাছে কমিশন নিতে পারেন।এছাড়া আপনি নিজের ঘরে এই app দ্বারা বিদেশীদের জন্য রুম ভাড়া দিতে পারেন।

এই ধরণের কাজ করতে চাইলে প্লেস্টোর থেকে Airbnb app অথবা এর অফিসিয়াল সাইট গিয়ে বিস্তারিত জানুন।

আরও পড়ুন-

আমাদের শেষ কথা

ফ্রেন্ডস,আমি এখানে যে বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম সম্পর্কে বললাম সেগুলি দ্বারা আয় করা খুব সহজ না,তবে হ্যা আপনি মেহনত করলে এগুলি থেকে ইনকাম করা সম্ভব।

যেসব বন্ধুরা পেমেন্ট সম্পর্কে চিন্তা করছেন তাদের বলে দিচ্ছি এসব বিশ্বস্ত সংস্থাগুলির পেমেন্ট সিস্টেম খুব ভালো।ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা বিকাশের মধ্যে পেমেন্ট রিসিভ হয়ে যায়।

এখানে একটা কথা আপনাদের পরিষ্কার করে দিই,উপরে যে app গুলো সম্পর্কে বললাম সেগুলি শুধুমাত্র আয় করার একটি মাত্র মাধ্যম,কিন্তু আসল পরিশ্রম আপনাকে করতে হবে।

হয়তো অ্যাপগুলি আপনাদের পছন্দ নাও হতে পারে। আপনারা যদি কোন সহজ-সরল app থেকে ইনকাম সম্পর্কে জানতে চান,তাহলে নিচে কিছু কথা বলছিসে গুলি ভালো করে পড়ে নিন।

বর্তমানে অনেক ধরনের ফ্যান্টাসি গেম ও বিভিন্ন ধরনের জুয়ো অ্যাপ বের হয়েছে যেখানে গেম খেললেই কিছু টাকা জিতবেন সেগুলোর ফান্দে পড়বেন না।

একটা কথা জেনে রাখুন ওই অ্যাপগুলি আপনার কাছ থেকে 10 টাকা নিয়ে 5 টাকা দিবে।

ওগুলি সাধারণত গেমিং বা কোনো জুয়ো অ্যাপ হয় যেখানে বিভিন্ন সহজ গেম খেলে কিছু উপহার,রিওয়ার্ড পয়েন্ট বা ক্যাশ আর্নিং হয়।

এখানে app এর তরফ থেকে কিছু টাকা রিওয়ার্ড দেওয়া হবে,যখন সেই ফ্রি টাকা আপনার শেষ হয়ে যাবে তখন সেখানে ইনভেসমেন্ট যথা টাকা অ্যাড করতে হয় তবেই পুনরাই সেই গেমটি প্লে করতে পারবেন।

প্রথম দিকে অল্প টাকা ইনভেস্ট করে এখানে শুরু হয়,কিন্তু ধীরে ধীরে এগুলি নেশাই পরিনিত হয়ে যায় তখন আর সেই ক্যাশ রিটার্ন খুব কম দেখা যাই।

তাই,বন্ধুরা এই ধরনের স্ক্যাম গেম গুলো থেকে দূরে থাকবেন রিয়েল মানি ইনকাম করতে গেলে আপনাকে মেহনত করতে হবে।

আপনারা যদি মাসিক একটি ভালো ইনকাম করতে চান তাহলে আমি সাজেস্ট করব,বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করেন,যথা ব্লগিং,ইউটিউব,অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি।

আমরা এই সাইটে বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কে আলোচনা করেছি আপনারা সেগুলি পড়তে পারেন আমি তাদের লিঙ্ক নিচে দিয়ে দেবো।

অনলাইন ইনকাম

error: Content is protected !!
Share via
Copy link