ফ্রিল্যান্সিং কি?কিভাবে Freelancing শুরু করবেন। 2021

কিভাবে Freelancing শুরু করবেন?:- অনলাইনে আয় করার অনেক মাধ্যম রয়েছে,তরমধ্যে ফ্রিল্যান্সিং এ কেরিয়ার স্থাপন করা খুব জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আমরা আগেই অনলাইন থেকে আয় করার বিভিন্ন মাধ্যম সম্পর্কে আলোচনা করেছি তাই এই আর্টিকেলে কিভাবে “Freelancing” এ ক্যারিয়ার শুরু করবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করবো।

কিভাবে Freelancing শুরু করবেন
Freelancing work

বিগত কয়েক বছরে আমাদের এশিয়ার দেশ গুলিতে ফ্রিল্যান্সিংকাজের জপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে india,pakistan,bangladesh,philippines এই বিভিন্ন তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলিতে।

এইসব দেশের ইয়ং জেনারেশন ফ্রিল্যান্সিং জব করে আজ হাজার হাজার ডলার আয় করছেন।

তাই অনেকের কৌতুহল এই কাজের সম্পর্কে আরো জানার,সেইসব কথা মাথায় রেখে আপনাদের কত গুলো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।

চলুন দেখেনি সেই ধরনের কিছু প্রশ্ন:-

  • ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে?(what is Freelancing)
  • কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করবো?
  • ফ্রিল্যান্সিং শেখার উপায় গুলি কি কি?
  • ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়?
  • ফ্রিল্যান্সিং কাজে আয় কত করা যায়?
  • ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে ক্যারিয়ার স্থাপন স্থাপন করবো?
  • নতুনদের জন্য কয়েকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট?

আশা করি,উপরের প্রশ্নের উত্তর গুলি পেলে ফ্রীল্যানিং ওয়ার্ল্ড সম্পর্কে আপনাদের একটা ধারণা চলে আসবে।

এই পোস্টি পড়ার পর এই “Freelancing” জগতে কিভাবে কাজ হয় ও আপনি কিভাবে এখানে শুরু করবেন তার সম্পর্কে ধারণা আসবে।

তাছাড়া এই প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে ক্যারিয়ার স্থাপন করবেন সেই সব বিষয় ও এখানে আলোচনা করবো।

অনলাইনে ঘরে বসে আয় করুন- –

1) ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার স্থাপন?(freelancing career)

আপনি একজন স্টুডেন্ট পড়াশোনা করেছেন, ভালো জব পাচ্ছেন না, অথবা জব করেন কিন্তু অল্প বেতন তাহলে এই প্লাটফর্মে পার্ট টাইম বা ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে একটি সফল ক্যারিয়ার স্থাপন করতে পারেন।

আজকে অনেক যুবক যুবতী ঘরে বসে Freelancing করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে,শুধু তাই না তারা তাদের ফ্যামিলি কে সাপোর্ট করছে ফ্রিল্যান্সিং করে।

শুধু একটু গুগলে সার্চ করলে দেখতে পাবেন তাদের সফলতা।এই পোস্টে freelancing career নিয়ে একটু আলোচনা করার চেস্ট করবো।

চুলুন দেখেনি ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বোঝায়?

2) ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে?(what is Freelancing)

সহজ কথাই বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিং মানে হচ্ছে কোনো কোম্পনি বা কোনো ব্যক্তি এর সঙ্গে যুক্ত না থেকে স্বাধীনভাবে অনলাইনে উপার্জন করাকে ফ্রীল্যানসিং”Freelancing” বলা হয়।

বাংলাতে একে মুক্তপেশা বলে। এই পেশাতে আপনি অনলাইনে কোনো ব্যাক্তি বা সংস্থার সঙ্গে পার্ট টাইম চুক্তি বা কনট্রাক এর বিনিময়ে যে কাজ করবেন তার টাকা পান।

কোনো পার্মানেট জব নয়,পুরোপুরি আপনার উপর নির্ভর করে আপনি কার সঙ্গে কাজ করবেন,কখন কাজ করবেন,কাকে কত চার্জ করবেন সেটা আপনার নির্ণয় করার পুরো স্বাধীনতা আছে।

উদহারণ স্বরূপ-এখানে একটা অফলাইন কাজের উদহারণ দিচ্ছি –

ধুরুন আপনার বাড়িতে কোনো ইলেট্রিক মিস্ত্রিকে কোনো কাজে ডেকেছেন এবং তার সেই কাজের বিনিময়ে তাকে যা পারিশ্রমিক দিবেন সে যত টাকা চার্জ করবে।

ঠিক সেইভাবে অনলাইনে আপনার দ্বারা কেউ কাজ করিয়ে নিবে এবং আপনি তার বিনিময়ে কিছু টাকা পাবেন এই ভাবে এই মার্কেটপ্লেসে বা প্লাটফর্মে কাজ হয়।

এবার এই প্লাটফর্মে আপনি কাজ পাবেন বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে।ওই ওয়েবসাইট গুলোতে বিভিন্ন কোম্পানি,সাধারণ মানুষ ফ্রীলান্সার হায়ার করে এবং কাজ করার বিনিময়ে তার তাকে pay করে।

এই ভাবে ফ্রীলান্সারা অনলাইনে দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টদের কাজ করেদিচ্ছে এবং ঘরে বসে ইনকাম করছে।আশাকরি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন।

3) ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার সুবিধা।(Benefits of Freelancing Work)

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার সবথেকে বড় সুবিধে হচ্ছে এখানে আপনি স্বাধীনভাবে কোনো পেসার ছাড়া কাজ করতে পাবেন।নিচে এর Benefits গুলি দেওয়া হল –

  • নিজের কাজের পারিশ্রমিক নির্ধারিত করার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। 
  • নিজের সময় মতো কাজ করতে পারেন।
  • আপনাকে সোম-সনি মাসে ২৬ দিন কাজ করতে হবে না।
  • সকাল-রাত টাইম টু টাইম না,নিজের টাইম মতো কাজ করবেন। 
  • পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করতে পারেন।
  • ইনকামের দিক থেকে ফ্রিল্যান্সিং কাজ যেকোন জবকে রিপ্লেস করতে পারে। 
  • এখানে নিজের একটা business শুরু করতে পারেন।
  • পার্সোনাল একটা ব্র্যান্ড বানিয়ে ফেলতে পারেন।
  • পুরো একটা টিম তৈরী করে কাজ ভাগ করে নিতে পারেন। 
  • দেশী-বিদেশি বিভিন্ন ক্লায়েন্ট এর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন হয়।
  • অল্প সময়ে প্যাসিভ আয় করার সফল রাস্তা।  

ফ্রীল্যানসিং কাজ করার গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার দক্ষতা(skills)উপর নির্ভর করে আপনার সফলতা।

কেননা আপনাকে যে কাজ দিবে বা hire করবে সে আপনার দক্ষতা দেখে কাজ দিবে।এখানে কাজের এর অভাব নেই,দক্ষতা থাকলেই কাজ পেতে দেরি হয় না।

কিছু ফ্রিল্যান্সিংকাজ যেমন writing desing,teaching,coching ইত্যাদি।ফ্রেন্ডস এবার আমার একটু জেনেনি কোথায় কোন ওয়েবসাইট,প্লাটফর্মে এইধরনের কাজ গুলো করবেন।

অনলাইনে জব –

4) কিভাবে Freelancing শুরু করবেন?(How To Start Freelancing Work)

এখন আমাদের ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পোঁছে গেছে এরফলে সমগ্র বিশ্বজুরে আমাদের সংযোগ স্থাপন হয়েছে।

আপনি ঘরে বসেই ইন্টারনেটের সাহায্যে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যেকনো লোকের কাজ করতে পারেন।ইন্ডিয়া বা বাংলাদেশ থেকে আপনি দেশি-বিদেশি ক্লাইন্টের (client) দের কাজ করতে পারবেন।

শুধু একটা ভালো ইন্টারনেট কানেক্শন আর একটা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকলেই হবে।

ফ্রীল্যানসিং কাজ শুরু করতে হলে আপনার স্কিল বা দক্ষতা থাকা দরকার।আমি অনেক ছেলেকে দেখেছি তারা Fiverr এ মত ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলে বসে আছে ,তাদের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ও দক্ষতা নেই সেই কাজের।

তাই এই প্লাটফর্মে কাজ শুরু করা আগে কতগুলি কথা মাথায় রাখবেন –

  • আপনার একটা কম্পিউটার/ল্যাপটপ থাকা দরকার সেই সঙ্গে ইন্টারনেট কানেকশন।
  • ফ্রীল্যানসিং করতে হলে যদি বিদেশি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করতে চান তাহলে ইংলিশে ভালো কমিউনিকেশন skills থাকা দরকার।
  • আপনার লক্ষ্যকে ঠিক করুন,এই প্লাটফর্মে পার্টটাইম,ফুলটাইম,টাইমপাস কিভাবে কাজ করবেন সেটা নির্ধারিত করুন।
  • এই প্লাটফর্মে কি কাজ করতে চান সেটা ঠিক করুন।মানে,আপনার niche বা টপিক কি? কনটেন্ট লিখবেন,টিচিং করবেন, না design এ কাজ করবেন সেটা নির্ধারিত করুন।
  • বিভিন্ন কাজের জন্য তার বিশেষ ফ্রীলান্সিং ওয়েবসাইট আছে,আপনার যে কাজে দক্ষতা আছে আপনি সেই ওয়েবসাইটে কাজ করার চেষ্টা করুন। যে সাইট ওই কাজের জন্য পরিচিত।যেমন আপনি যদি টিচিং করতে চান তাহলে-chegg indiaবা design এ কাজ করতে চান 99designs আছে,এইসব ওয়েবসাইট গোল এই কাজের জন্য জানা যায়।  

ফ্রেন্ডস,আপনারা ফ্রীল্যাংসিং কাজ শুরু করার আগে উপরের বিষয় গুলি নজর দিবেন।

এবার হয়তো অনেকেই চিন্তা করতে পারেন আমাদের কোনো স্পেসাল কাজে দক্ষতা নেই,তাহলে আপনি কিভাবে এই প্লাটফর্মে কাজে করবেন।

চিন্তা নেই আমি সেই বিষয় নিয়েও কথা বলবো।কিভাবে খুব সহজ উপায় এই কাজ শিখে নিতে পারেন।

5) কোথায় কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স শিখবেন?(How To Learn Freelancing Courses)

যেকোনো উপায়ে টাকা ইনকাম করতে যান তার জন্য আপনাকে সেই কাজটি জানা প্রয়োজন।

সে আপনি জব করেন বা কোনো ফ্রিল্যান্সিংকাজ করেন,আপনার সেই কাজে দক্ষতা না থাকলে কেউ আপনাকে কাজ দিবে না।

তাই আমি আগেই বলছি ,কাজে দক্ষাতা না থাকলে আপনি এই প্লাটফর্মে সফল হতে পারবেন না।

তাই আপনার যদি লক্ষ্য হয় অনলাইন ফ্রীল্যানসিং করে আয় তাহলে আপনাকে কোনোনা কোনো কাজে স্কিল বা দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

এবার আপনি কোন niche বা টপিক নিয়ে কাজ করেত চাইছেন সেটা পুরোপুরি আপনার ওপর নির্ভর করে।

আমি নিচে কত গুলি অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সাইট নিয়ে আলোচনা করবো,সেখানে আপনারা যেকোনো কাজ শিখে নিতে পারেন।

  • ইউটউব- এখন সবার কাছেই স্মার্টফোনে রয়েছে,আপনি যেকোনো Courses ঘরে বসেই ইউটউব থেকে ফ্রিতে শিখে নিতে পারেন ।যেমন-আমি একজন ইউটউব চ্যানেল থেকে অনেক কিছু শিখেছি,আপনিও সেই চ্যানেলটি চেক করে দেকতে পারেন। যদি ফোটোশপ,ডিসাইন এর কাজ শিখতে চান তাহলে এই চ্যানেল কে ফলো করেন –GFXMentor (hindi/urdu)
  • udemy এই অনলাইন ওয়েবসাইটটি থেকে আপনি যেকোন Courses শিখে নিতে পারেন তবে এখানে আপনাকে তার পয়সা দিতে হবে।(তবে অনেক Course ফ্রীতে পেতে পারেন আপনি একটু ইন্টারনেটে রিসার্চ করে দেখে নিন যেমন couponscorpion.com)
  • Skillshare- খুব বড় মার্কেটপ্লেস যাদের ফোকাস হচ্ছে  creative education. এখানে সব রকমের টপিক পেয়ে যাবেন graphic design,music production,আর্ট,কুকিং প্রভিতি।Skillshare এ প্রায় ৪০ লক্ষ্য স্টুডেন্টস যুক্ত রয়েছে।Skillshare এ Courses শিখতে গেলে ফ্রি ট্রায়াল পাবেন কিন্তু পরে আপনাকে মেম্বারশিপ প্ল্যান নিতে হবে।
  • sololearn.comআপনি যদি প্রোগামিং Courses (যেমন-python,C++,java)শিখতে চান তাহলে আপনি এই সাইট থেকে ফ্রীতে শিখতে পারেন।এছাড়া আপনি ইউটউব এর সাহায্য ও নিতে পারেন।
  • oxfordhomestudy.com এই ওয়েবসাইট আপনি অনলাইন কোর্স করে ফ্রিতে সার্টিফেক্ট ও পাবেন,এখানে আপনি Social Media Marketing,Digital Marketing,Internet Marketing,Customer Services,Fashion Design বিভিন্ন ধরণের Courses শিখে নিতে পারবেন।এখানে আর একটা বোনাস পাবেন ইমেইল দ্বারা সার্টিফেক্ট আপনাকে পাঠিয়ে দিবে।
  • open.edu.au এই ওয়েবসাইট থেকেও আপনি অনলাইন স্টাডি করতে পারেন। এখানে ও প্রচুর সাবজেক্ট পেয়ে যাবেন আপনি আপনার পছন্দের সাবজেক্ট বেছে নিতে পারেন (যেমন creative-writing,data-analytics,digital-design,fine-art,media-studies,internet-communications)আরো প্রভিতি। 
  • Google Digital Garage গুগলের এই ওয়েবসাইট থেকে 125 ডিজিটাল Courses শিখে নিতে পারেন এখানে আপনার ডিজিটাল নলেজ কে অ্যাডভান্স করে নিতে এক্ষুনি join করুন এই ওয়েবসাইটে।শুধু একটা জিমেইল id থাকলেই হবে।সঙ্গে সার্টিফেক্ট ও পাবেন যা আপনার পরবর্তীকালে কাজ পেতে সাহায্য করবে। 

আপনি এসব ওয়েবসাইট গুলো একবার চেক করে দেখুন,কারন ফ্রীল্যাংসিং করতে হলে যেখান থেকে যা নলেজ পাচ্ছেন সেটা সংগ্রহ করলে আপনার ই ফায়দা।

এছাড়া আপনি অফলাইনে কাছে করি কোন ইন্সটিউট থেকে স্কিল শিখে নিতে পারেন,৩-৬ মাসের কোনো কোর্স করে নিলে তার ফল আপনি পেয়ে যাবেন।আমাদের কলকাতায় অনেক ইন্সটিউট আছে,তবে আপনারা একটু ভালো করে খোজ নিয়ে আগে দেখবেন।

6) কোন ধরণের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যায় ?

হয়তো আপনাদের অনেকেই  প্রশ্ন হতে পরে কোন ধরণের ফ্রিল্যান্সিং কাজ এখানে করতে পারবো?

প্রথমেই বলে রাখি আপনার যে বিষয়ে দক্ষতা আছে সব সময় সেই বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন।

কারণ এই প্লাটফর্মে কাজের অভাব নেই শুধু আপনার ধৈর্য আর প্যাশন থাকলেই হবে।চলুন দেখেনি কোন ধরণের কাজ পাবেন –

  • Data Entry
  • Web Designing
  • Graphics Designing
  • Content Writer
  • Editor
  • teaching
  • eBook writer
  • coding
  • SEO services
  • Marketing
  • PR Consultant
  • Marketing Consultant
  • Artificial Intelligence
  • Mobile Application
  • Development
  • Accountant

এছাড়া আরো বহু কাজ আছে যা আপনি ফ্রীল্যানসিং করতে পারেন ,আপনি যেকোন ওয়েবসাইট গেলে সেখানে ক্যাটাগরি খুললেই দেখতে পাবেন।তবে অবশ্য আপনি সেই টপিকে কাজ করবেন যেখানে আপনার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং জ্ঞান রয়েছে।

7) ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে আয় কত করা যায়?

দেখুন ফ্রীল্যানিং কাজে ইনকাম পুরো নির্ভর করে আপনি কোন টপিক নিয়ে কাজ করছেন এবং কোথায় করছেন।

কিছু হাই ডিমান্ড niche আছে তাদের payout খবু ভালো।যেমন Graphics Designing, coding, app Development.

এই সব niche বা টপিক নিয়ে কাজ করলে আপনি মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করতে পারবেন।

উদহারণ স্বরূপ আপনি যদি Graphics Designing বা ফটো Design করতে পারেন,তাহলে 99Design নামক ওয়েবসাইটে একটা design ৩০০ ডলার প্রজন্ত প্রাইস আসতে পারে।

এখানে আরেকটা কথা বলে রাখি,আপনি যে কাজ করবেন,মানে যে কাজ গুলি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট দ্বারা পাবেন তার কিছু পরিমান টাকা সেই ওয়েবসাইটকে দিতে হয়।

যেমন upwork বার ২০% টাকা কেটে নেই। আবার কেউ ১০% টাকা কাটে প্রত্যেক প্রজেক্ট পিছু আবার কোনো সাইটে মেম্বারশিপ প্ল্যান ক্রয় করতে হয়।

কোনো কোনো সাইটে আবার bid(নিলাম)ব্যবস্থা থাকে।প্রত্যেক ওয়েবসাইট এর আলাদা আলাদা সিস্টেম থাকে।

আর যদি ইনকামের কথা বলতে হয় তাহলে একটা রিপোর্ট জেনে রাখুন, paypal এর একটা সার্ভেতে জানা গেছে ভারতীয়রা মোটামোটি গড়ে বছরে ২০ লক্ষ্য টাকা আয় করে ফ্রীল্যানসিং করে।

এর মধ্যে ২৩% ফ্রীলান্সার এর আয় প্রায় ৬০ লক্ষ্য টাকা বছরে।

এই রিপোর্টে বলা হয়েছে ইন্ডিয়াতে ফ্রীল্যানসিংগ্রোথ খুবই ভালো এবং ধীরে ধীরে খুব প্রসিদ্ধ পাচ্ছে এই কাজ।

এই থেকে আপনার একটা ধারণা আসা দরকার,এই মার্কেটপ্লেস সফল হলে প্যাসিভ ইনকাম করার ভালো রাস্তা আছে।

মেন্ কথা হচ্ছে এই প্লাটফর্ম এ আপনার একটা ব্র্যান্ড বানাতে হবে, যেখানে ভালো রিভিউ এর সঙ্গে লোকে আপনার ব্র্যাড ট্রাস্ট ও রেকমেন্ড করবে।

তাহলে আপনি তো কাজ পাবেনই আর আপনার নাম ফ্রীলান্সার দুনিয়াতে ছড়িয়ে যাবে।

তাহলে এবার কিছু ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট সম্পর্কে জেনি যেখানে আপনি ফ্রীলান্সিং কাজ করতে পারেন।

8) কিছু জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট।

ইন্টারনেটে প্রচুর ফ্রীল্যানসিং সাইট পাবেন কিন্তু সব সাইটই ভালো হবে তার মানে নেই।

তাই কোনো ওয়েবসাইটে কাজ করার আগে সেই সাইট সম্পর্কে পুরো তথ্য জেনেনিন।আজকাল সব কিছুর রিভিউ আপনি গুগলে পেয়ে যাবেন। এছাড়া ইউটউবে সেই সাইট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়েযাবেন আশাকরি।

প্রথমত আপনাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে,আপনি যে টপিক বা niche নিয়ে কাজ করতে চাইছেন তার জন্য কোন সাইট বিখ্যাত।

এখানে বিভিন্ন সাইট বিভিন্ন কাজের জন্য স্পেশাল:- জানুন কিভাবে Freelancing শুরু করবেন ২০২১

আমি আর বেশি উদাহরন দিলাম না, প্রথমে এই সাইট গুলো দিয়ে শুরু করুন।এগুলি বিশ্বের সেরা ফ্রিল্যান্সিং সাইট।

এছাড়া আপনি আরও ভালো সাইট সমন্ধে জানতে চাইলে গুগল বা ইউটউবে অন্যান্য সাইট এর খোজ নিতে পারেন।

এই ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলির সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ে জানতে চাইলে আমি এই টপিক নিয়ে একটা আর্টিকেল লিখেছি আপনারা এখানে সেরা ১০ টি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে পারবেন।

আরও পড়ুন –

আমাদের শেষ কথা,  

দেখুন ফ্রীল্যানসিং কাজ খুব ধৈযর কাজ,এখানে প্রথম প্রথম কাজ পেতে একটু লেট হয়ে যায়।কিন্তু আপনি একবার কাজ পেয়ে গেলে পেছন ফিরে আর তাকতে হবেনা।

তাই আমি বলবো আপনি যদি বর্তমানে কোনো জব করেন তাহলে এখানে পার্টটাইম হিসাবে যুক্ত হন।

পরে কাজের চাপ বাড়লে ফুলটাইম কাজ করবেন বা টিম তৈরী করেনিবেন।

এখানে আপনি যত কাজ করবেন তত আপনার অভিজ্ঞতা বাড়বে,নুতুন নতুন ক্লায়েন্ট এর সঙ্গে পরিচয় বাড়বে এবং আপনার নাম মার্কেটে ছড়াতে শুরু করবে। 

তাহলে,বন্ধুরা আশা করি কিভাবে Freelancing শুরু করবেন তার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা এসেছে।

এই আর্টিকেলটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন ও কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে জিগ্গেস করুন।ধন্যবাদ:-

Subscribe
Notify of
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
বিথীকা সাহা
বিথীকা সাহা
May 1, 2021 7:36 PM

ফ্রিল্যান্সিং জব করতে চায়।

error: Content is protected !!
2
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x
Share via
Copy link