জানুন ৫টি সহজ অনলাইনে টাকা ইনকাম পদ্ধতি?(অনলাইন ইনকাম)

অনলাইনে টাকা ইনকাম:- ফ্রেন্ডস,আপনি কি আগে অনলাইনে টাকা আয় করার চেষ্টা করেছেন? কিন্তু সাফল্য পাননি তাহলে চিন্তা নেই,আজ এখানে ৫ টি সহজ অনলাইনে টাকা ইনকাম করার মাধ্যম সম্পর্কে জানবো।ফলে ঘরেবসে প্যাসিভ ইনকাম করার পন্থা গুলি জানতে পারবেন।

তাই,অনলাইন থেকে টাকা আয় করার মাধ্যম সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ুন। 

অনলাইনে টাকা ইনকাম

বর্তমানে সক্রিয়ভাবে (৩২০ কোটি) বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে ভৌগলিক অবস্থান বা আর্থিক সংস্থার অভাবের ভিত্তিতে আপনি কী অর্জন করতে পারবেন তার আর কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

আপনি কি তৈরী আপনার প্যাশনকে মুনাফায় পরিনিত করতে,আপনি কি নিজের একটি অনলাইন ব্যবসায় শুরু করতে প্রস্তুত,তবে কোথায় শুরু করবেন তা নিশ্চিত নন? 

অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার জন্য সেরা পাঁচটি পথ আমরা নিচে শুরু করতে যাচ্ছি যেটাতে আপনার নিয়মিত রুটিনে বেশি সময় প্রয়োজন পরবে না।

অনলাইনে অর্থ উপর্জনের কয়েকটি সেরা এবং সঠিক পন্থা বলার আগে ,কিছু কথা আপনাদের জেনেরাখা দরকার।

সহজ উপায়ে অনলাইনে টাকা আয় স্কাম এর ফাঁদে পড়বেন না।(Get-rich-quick schemes)

অনলাইনে আপনি রাতারাতি কোটিপতি বা লাখোপতি হয়ে যাবেন সেরকম কোনো বৈধ উপায় নেই।এখনে কাজ করার  সময় যেসব লোকেরা দ্রুত ও সহজ উপয় বা কোনো লোভনীয় স্কিম গুলির বিষয়ে কথা বলে সেগুলি বেশির  ভাগই ঠকবাজ হই যা প্রথমে বৈধ লাগলেও পরে তার আসল রূপ ধরা পরে।

অবশ্য কিছু কিছু পদ্ধতিতে আপনি কয়েক হাজার টাকা অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন,তবে সেগুলি  আপনাকে আর্থিক ভাবে স্বাধীন এবং আপনার জীবনযাত্রর উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেতে সহতা করবেনা। সর্বপরি,এগুলি শর্টকাট যা চিরকাল স্থায়ী হই না,এবং এই সুযোগ গুলিপ্রায় “স্কাম’’/ঠকবাজ হই।

এই স্কাম গুলির ফাঁদে যদি আপনি পরেন তাহলে খুব কমসময়ে আপনার ব্যক্তিগত জীবন অনিষ্টকার হয়ে উঠেতে পারে,তাই আপনার ওই রকম কোনো স্কীম এ যাওয়ার আগে  তার ব্যাকগ্রাউন্ড পুরোপুরি খোচ খবের নিয়ে ভাবনা চিন্তা করে এগোবেন।

৫ টি সহজ উপাই অনলাইনে টাকা আয় করার 

1.একটি ব্লগ তৈরী করে টাকা আয় করুন

একটি ব্লগ তৈরী করুন

অনলাইনে huge পরিমানে  টাকা ইনকম করার অন্যতম জনপ্রিয় উপায় হ’ল আপনার নিজস্ব ব্লোগ্গিং শুরু করা।আপনার যদি প্রবন্ধ লেখার দক্ষতা ভালো হই তাহলে আপনি যে কোনো বিষয়ের উপর একটি ব্লগ তৈরী করে অর্থ উপর্জন করতে পারেন।ভারতবর্ষে আজ বাহু মানুষ ব্লোগ্গিং করে লক্ষ লক্ষ টাকা আই করছেন৷ 

ব্লোগ্গিং কী

ব্লোগ্গিং বা ব্লগ হচ্ছে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট প্লাটফর্ম যেখনে  আপনি আপনার শক, চিন্তা ভাবনা,আবেগ,শিক্ষা, তথ্য,খবর,ইত্যাদি কে শেয়ার করতে পারেন অন্যদের সঙ্গে।

উদাহরণস্বরূপ-আমরা যেমন facebook এ বা twitter এ আমাদের শক বা চিন্তা ভাবনা কে পোস্ট এর মাধ্যমে অন্যের সঙ্গে শেয়ার করে থাকি সেরকম,ব্লগ বা ওয়েবসাইট দ্বরা আপনি আপনার শক বা চিন্তা ভাবনা কে সমগ্র ভারতবর্ষে এমনকি সমগ্র পৃথিবী জুড়ে শেয়ার করতে পারেন।

উদাহরণস্বরূপ-আপনি যদি রান্না করতে ভালোবাসেন তাহলে কুকিং ব্লগ তৈরী করে সেটা দিয়ে আপনি সবার সঙ্গে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেত পারেন।ব্লোগ্গিং কী আরও বিস্তারিত জানতে হলে উইকিপিডিয়া পড়ে নিন।

ব্লগ বা ওয়েবসাইট কিভবে তৈরী করবেন

আপনি একটি ব্লগ free তে google এ তৈরী করতে পারেন।আপনার একটি google এ account থাকলে আপনি blogger.com(যেটি একটি google র প্রোডাক্ট যেমন youtube,google maps হচ্ছে গুগলের প্রোডাক্ট ) একটি ব্লগ খুলতে পারবেন।

এছড়া আপনি wordpress এ একটি ব্লগ তৈরী করতে পারেন এতে আপনার ইন্কমের রাস্তা আরো বেশী খুলে যাবে blogger তুলনায়,সেটা কিভাবে আমরা নিচে জানব।আপনি যদি জানাতে চান WordPress কী আরও বিস্তারিত ভাবে তাহলে click করুন।

ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে কীভাব অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যাই

প্রতমত-আপনার ব্লগ তৈরী হয়ে গেলে আপনি সেটাতে অনলাইন বিজ্ঞাপনের সাহায্যে (যেমন google ad sense)দ্বারা আই করতে পারেন।

এছড়া আরো অনেক বিজ্ঞাপনের সংস্থা আছে যাদের ads আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এ লাগতে পারেন, visitor এলে সেই বিজ্ঞাপন দেখলে আপনি তার টাকা পাবেন।

কিন্তু তুলুনামুলক ভাবে wordpress থেকে blogger এ adsense র অপ্প্রুভাল পেতে লেট হই।তাই আমি আপনকে পরামর্শ দেব আপনি wordpress এ একটি ব্লগ তরী করুন। 

দ্বিতীয়ত-আপনি affiliate marketing যথা amazon,flipkart এর প্রোডাক্ট আপনার ব্লগে প্রমোট করে আয় করতে পারেন।

তৃতীয়ত-আপনি sponsored আর্টিকেল আপনার ব্লগ এ পোস্ট করে  আই করতে পারেন।

উধাহরন্সরুপ-যদি আপনার হেল্থ এর ব্লগ হই, কোনো একটা মেডিসিন কোম্পানি আপনাকে স্পন্সরড করতে পারে তাদের প্রোডাক্ট প্রমোট করার জন্য। 

চতুর্থ-আপনি আপনার নিজস্ব প্রোডাক্ট সেল করতে পারেন আপনার ব্লগ এর মাধমে।এছাড়া আরো অনেক ভাবে ব্লগ থেকে  ইনকাম করা যাই।ব্লোগ্গিং করে আপনি সপ্তাহে ৫০০০ বা তার বেশী টাকা  ইনকাম করতে পারবেন।

2.YOUTUBE এ চ্যানেল খুলে টাকা ইনকাম  

YOUTUBE এ চ্যানেল খুলুন

অনলাইনে টাকা কমানোর  আর একটি জনপ্রিয় উপায় হ’ল youtube একটি চ্যানেল খুলা।আপনি যেকোনো বিষয়ের  উপর youtube চ্যানেল খুলতে পারেন।

সেটা কুকিং হোক বা টিচিং,আপনার যদি বিষয়বস্তু ইউনিক হই তাহলে আপনার চ্যানেল খুব জনপ্রিয় হয়ে যাবে এবং খুব তারাতারি আই করতে শুরু করে দিবে।আমদের পস্শিমবঙ্গে অনেকে youtube এ চ্যানেল খুলে বহু টাকা আয়  করছেন।

YOUTUBE এ চ্যানেল কিভাবে খুলবো

Youtube এ চ্যানেল খুলতে হলে আপনার একটি google একাউন্ট  থাকতে হবে, মোবাইল বা কম্পিউটার এ আপনি youtube a চ্যানেল খুলতে পারেন।আপনি যদি ইউটউব চ্যানেল কিভাবে খুলবেন সেটা না চিন্তা করার দরকার নেয় আমি নিচে লিংক দিচ্ছি সেটা দেখে দেখে একটা চ্যানেল বানিয়ে ফেলুন।

জেনে নিন- 

youtube থেকে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি 

আপনার youtube চ্যানেলে আপনি রেগুলার ভিডিও আপলোড করুন আপনার চ্যানেল একটু জনপ্রিয় হয়ে গেলে google থেকে ad sense এর 

এপ্রুভাল নিয়েনিন।video গুলিতে বিজ্ঞাপন চালু হয়ে visitor সেই বিজ্ঞাপন দেখলে তার বিনিময়ে আপনি তার টাকা পাবেন।

2)আপনি বিভিন্ন রকম প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে তার affiliate marketing করতে পারেন,যেমন amazon,flipkart,paytm ইত্যাদি থেকে।

3)আপনার চ্যানেলে স্পন্সরড প্রোডাক্ট এর রিভিউ দিয়ে আই করতে পারেন।যেমন, আপনার যদি টেকনোলজি এর চ্যানেল হই তাহলে আপনি বিভিন্ন মোবাইল,ল্যাপটপ,গ্যাজেট এর স্পন্সরড রিভিউ করতে পারেন।

4)আপনি আপনার নিজস্ব প্রোডাক্ট এর সেল করতে পারেন।যেমন teaching course, exam suggestion,training courses,ebook ইত্যাদি।আরো অনেক ভাবে আপনি youtube থেকে আয় করতে পারেন।বিস্তারিত জানতে এখানে পরে নিন-

3.Ebook পাবলিশ করুন

Ebook পাবলিশ করুন

ebook হছে একটি বই যেটা পাবলিশ হই ডিজিটাল আকারে ,এটি কম্পিউটার,মোবাইল বা অনন্য ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস এ সাধারণ বই এর মতই পড়া যায়।

আপনার যদি books লেখার ইচ্ছা থাকে বা আপনার writing skills ভালো হই  তাহলে আপনি যেকোনো বিষয়ের উপরে ebook লিখে নিজে পাবলিশ করে টাকা আয় করতে পারেন।

কেন আপনার  একটি ebook নিজে পাবলিশ করা উচিত ?

২০১৮ সালে সমগ্র পৃতিবী জুড়ে যত books পাবলিশ হয়েছে তার২৬%পাবলিশ হয়েছে ebook।আগামী দিনে এটি ৫০% পর্যন্ত চলে যাবে।

ebook পাবলিশ করা খুব সহজ এবং এর খরচ নেই বলেই চলে ভারতবর্ষে বহু মানুষ ebook পাবলিস করে হাজার হাজার টাকা আই করছেন।

কিভাবে ebook লিখবেন  ও পাবলিশ করবেন ?

1)আপনি যে eBook টি  লিখবেন সেটিকে আপনি আগে তৈরী করুন কম্পিউটার বা মোবাইল এ (আমি বলব আপনি কম্পিউটার এ আপনার eBook টি লিখুন  এর জন্য আপনি মাইক্রোসফট word বা google docs ব্যবহার করতে পারেন তার পরে সেটি pdf/docs/word ফরমাটে save করে নিন।

অনলাইন এ canva থকে free তে একটি কভার তৈরী করে নিন আপনার eBook সঙ্গে লাগিয়ে দিন  তাহলেই আপনার ebook রেডি হয়ে যাবে ।বিস্তারিত জানতে এখনে click করুন।

2)আপনি আপনার ebook টিকে Amazon Kindle, Google Playbooks, Pothi,instamojo তে  পাবলিস করতে পারেন এ গুলো সব ট্রাস্টেড ওয়েবসাইট আপনি google এ সার্চ করে দেখে নিতে পারেন এছাড়া আরো অন্যান্য জায়গায় books পাবলিশ করার যাই সেটা  আপনি google এ দেখে নিন।

কিভাবে eBook থকে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা হবে ?

আপনার eBook টি উপরের বলা যেকোনো ওয়েবসাইট আপনি পাবলিশ করে দিন এবং একটি নির্ধারিত দাম বেঁধে দিন (একটু রিসার্চ করে নিন অন্য পাবলিশার রা কিরকম দাম রাকছে) সেইমত আপনি একটু কম দাম রেখে পাঠকেরদের attract করুন। আপনার eBook টি পাঠকরা buy করলে তার টাকা আপনার ব্যাঙ্ক চলে আসবে।

এছাড়া আপনি আপানর eBook টিকে প্রমোট করতে পারেন আপনি facebook,twitter,whatsapp এ শেয়ার করতে পারেন বা আপনি paid ads চালাতে পারেন facebook,google,amazon এ।

4.Affiliate marketing করে টাকা আই  (অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং)

সহজ উপাই অনলাইনে টাকা আই করার 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হছে কোনো কোম্পানি বা কোনো ব্যাক্তির সঙ্গে  জড়িত হয়ে তার/তাদের এক বা একাধিক প্রোডাক্ট আপনি যদি promote বা প্রচার করেন,

এবং কোনো গ্রাহক যদি আপনার মাধম হয়ে সেটি কিনে তাহলে সেই কোম্পানি/ ব্যাক্তি আপনাকে সেই সেলরজন কিচু পরিমান কমিশন দেয় এইভাবে  affiliate marketing হই।

affiliate marketing আপনি এক বা একাধিক কোম্পানির সঙ্গে জড়িত হতে পারেন।সমগ্র বিশ্বে ছোট বর বহু কোম্পানি ই এই marketing programs সঙ্গে জড়িত এবং ইন্ডিয়াতে অনেক নামকরা কোম্পানি আছে যেগুলোর সঙ্গে আপনি কাজ করতে পারেন।

যেমন,amazon,flipkart,vcommission,makemytrip affiliate,ebay affiliate

Affiliate program এ কিভাবে join করবেন ?

যে কোম্পানি তে আপনি Affiliate program এ join করেবেন আগে তার সম্পর্কে একটু রিসার্চ করে নিন google বা you tube অনেক  genuine ভিডিও বা আর্টিকেল পেয়ে যাবেন।

সেই কোম্পানির সম্পর্কে এবং তার প্রোডাক্ট সম্পর্কের একটু জেনে নিন যদি পজেটিভ রিভিউ পান তাহলে সেই কোম্পানির affiliate program এ আপনি join করতে পারেন।

আমি উপরে যে কোম্পানি গুলোর  নাম বলেছি সেগুলি genuine এবং ঠিক সময়ে আপনাকে পেমেন্ট করে এছাড়া আপনি যদি অন্য কোনো কোম্পানি তে join হতে চান তাহলে,

সেই কোম্পানি নাম লিখে তার পাসে affilate progam লিখে google সার্চ করুন দেখবেন সেই কোম্পানির affiliate পেজ খুলে যাবেএবং সেখনে আপনার প্রয়জনীয় নথিপত্র যথা-

নাম,ঠিখানা ,ইমেল,account information ইত্যাদি নেয়া হবে সেটা submit করা হলে তাদের affiliate program এ আপনি join হয়ে যাবেন।এবার যখনই আপনি তাদের কোনো প্রোডাক্ট প্রমোট

করবেন সেই প্রোডাক্ট এ আপনার affiliate লিংক (link) থাকবে কারণ কেও যদি আপনার  সেই লিংক থেকে buy করে তাহলে কোম্পানি বুঝতে পারবে এই প্রোডাক্ট টা আপনি প্রমোট করেছেন।

কিভাবে আপনি প্রোডাক্ট প্রমোট করবেন ?

affiliate প্রোডাক্ট প্রমোট করা খুব সহজ, আপনি facebook ,whatsapp,email ,message,twitter,instagram এ বন্ধু- বান্ধব এর সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন।বা যেকোন মানুষের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন।

উদাহরণ -আমি একটি amazon র মোবাইল এর affiliate লিংক আমর ফ্রেন্ড কে শেয়ার করলাম এবং সে যদি  আমার ওই লিংক থেকে মোবাইল টা buy করে তাহলে আমি তার কিছু commission পাবো।

এছাড়া আপনার যদি youtube চ্যানেল থাকে বা কোনো ব্লগ বা কোনো facebook পেজ থাকে তাহলে আপনি সেখনে  প্রমোট করতে পারেন।

কত টাকা আই করা যাবে?

affiliate marketing এর মাধমে আপনি কত টাকা আই করতে পারবেন তার কোনো নির্দিষ্ট পরিমান নেই।আপনি ১০০ টাকা ও আই করতে পারেন 1 লক্ষ টাকা বা তার বেশী ও আয়  করতে পারেন।

এটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে ,ইন্ডিয়াতে affiliate marketing করে কোটি কোটি টাকা আই করেছন তার বহু উদাহরণ আছে।

হাঁ,তবে আপনার যদি  ব্লগ বা youtube চ্যানেল থাকে তাহলে আপনি অনকে বেশী সংখ্যক পাবলিকের কাছে প্রমোট করতে পারবেন। 

টাকা কোথায়,কিভাবে ও কতদিন পর পাবেন-

আপনি যখন join হবেন কোনো affiliate program  সেই সময় আপনার কাছে account এর তথ্য চাইবে সেটা আপনকে দিতে হবে তবেই আপনার account এ commission ঢুকবে।

এছড়া paypal এর option ও থাকে অনেক কোম্পানি তে আপনি paypal এর মাধ্যমে  মানি রিসিভ করতে পারেন।প্রত্যেক কোম্পানির আলাদা আলাদা রুলস & regulations থাকে কোনো কোম্পানি 

৩০দিনে টাকা পরিশোধ করে আবার কোনো কোম্পানি ৪৫-৬০ দিনে সময় নেই যেমন amazon ৩০দিন পরে commission দেয় কারণ ইকমার্স ওয়েবসাইট গুলি প্রোডাক্ট রিটার্ন validity expired না হওয়া পর্যন্ত commission দেয় না।

5. অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করুন (Online Freelancing)

সহজ উপাই অনলাইনে টাকা আই করার 

অনলাইন ফ্রীলান্সিং হচ্ছে আপনি কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে নিজে মুক্ত ভাবে আপনার নিজের সময় এ  কাজ করা কে ফ্রীলান্সিং বলে।

এখনে ক্লায়েন্ট আপনাকে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে কাজ দিবে এবং ওই কাজ করার বদলে পারিশ্রমিক পাবেন।

এখনে কোনো মাসিন বেতন নেই তবে আপনি যদি মনে করেন তাহলে যেকোনো জবের থেকে বেশী আই করতে পারবেন বর্তমানে অনেকেই জব ছেড়ে দিয়ে ফ্রীলান্সিং এর কাজ করছেন।

এই পেশায় যোগ দিলে আপনার দেসি -বিদেশি বিভিন্ন ধরণের ক্লায়েন্ট সঙ্গে পরিচতি হওয়ার সুযোগ থাকে।

কী কী কাজ করা যায় ?

এখানে  কাজের পরেধি অনেক বেশী আপনি  কম বেশী সব ধনের কাজ এখানে পেয়ে যাবেন।

1-আপনার যদি  টাইপিং স্পিড ভালো হই তাহলে  এখনে আপনি কাজ করতে পারেন।

2-আপনার writing skills যদি ভালো হই তাহলে আপনি ,অনুবাদ করা, নিবন্ধ লিখা , ওয়েবসাইট কন্টেন্ট তৈরী , সংবাদ লেখা ,গল্প লেখা , প্রাপ্তবয়স্কদের গল্প ইত্যাদি লিখতে পারেন।

3-আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে  পারেন যেমন লোগো,ব্যানার,ads বানানো ইতাদি এখনে  ডিজাইন করতে পারেন ক্লায়েন্ট দের জন্য।

4-এছড়া আপনি যদি ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারেন সফটওয়্যার তৈরী করতে apps তৈরী করতে পারেন তাহলে প্রচুর অপরচুনিটি রয়েছে।

5-আপনি যদি  ভিডিও এডিটিং mp3 এডিটিং ফটো এডিটিং করতে পারেন তাহলে এখনে কাজ করতে পারেন। 

কোথায় কাজ পাবেন ?

ফ্রীলান্সিং কাজের জন্য অনেক ভালো ভালো  ট্রাস্টেড ওয়েবসাইট আছে যেখান বাহু মানুষ এই wibesite গুলোর মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

 1- Fiverr.com

 2- upwork.com

 3- Toptal.com

 4- freelancer.com

 5- Guru.com

এই ওয়েবসাইট গোল ট্রাস্টেড ওয়েবসাইট এগুলোতে আপনি আপনার একাউন্ট খুলে কাজ শুরু করতে পারেন।প্রথম প্রথম কাজ পেতে একটু লেট হলেও একটু experience হয়ে গেলে আপনি রেগুলার কাজ পাবেন।আরো বিস্তারিত জানতে নিচে পরে নিন।

কত টাকা আই করা যায় ?

ফ্রীলান্সিং এ আই টা পুরো পুরি আপনার উপর নির্ভর করে,এখনে অনকে গুলো বিষয় উপর লক্ষ্য করে কাজ হই আপনি কোন পেশায় কাজ করছেন ,কতটা অভিজ্ঞতা আছে আপনার আপনি সপ্তাহে কতো ঘন্টা কাজ করবেন ইত্যাদি  ইত্যাদি।তবে আপনি আপনার টাকার পরিমান বেঁধে দিতে পারেন তার পূর্ণ স্বাধীনতা আছে আপনার।

টাকা কোথায় ও কতদিন পর পাবেন ?

বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ভাবে পেমেন্ট দেয় যেমন upwork ৫ দিন সময় নেই আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে পেমেন্ট ট্রান্সফার করতে।

                     Final Thoughts 

ফ্রেন্ডস আমি যে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করলাম সেগুলো একবারএকটু চিন্তা করে দেখবেন বর্তমনে অনলাইনে টাকা ইনকাম  করা খুবই সহজ একটু মনোযোগ দিয়ে কাজ করলেই আপনি সফলতা পাবেন,

সে আপনি যে কাজই করুন না কেন।আমি উপরে যে বিষয় গুলি বললাম এছড়া ও অনেক পদ্ধতি তে অনলাইনে টাকা ইনকাম  করা যাই যথা একটি ইকমার্স ওয়েবসাইট বানাতে পারেন,কোচিং এবং পরামর্শ দিতে পারেন অনলাইন,

paid অনলাইন সমীক্ষা বা Online Surveys করতে পারেন ,অনলাইনে ফটো বিক্রি করতে পারেন (Sell Photos Online) আরো অনেক আছে যেগুলাকে বাহু মানুষ তাদের পার্মানেন্ট পেশা করে ফেলেছে। 

তাই আমি বলবো যদি আপনার এই প্লাটফর্ম নামার ইছে থাকে তাহলে আপনি সময় নষ্ট না করে খুব তারাতারি শুরু করে দিন।

আপনার যদি এই আর্টিকেল টি ভালো লাগে তাহলে শেয়ার করুন এবং আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে জিগ্গেস করতে পারেন আমি reply দেবার চেষ্টা  করব। 

Subscribe
Notify of
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Rocky
April 4, 2020 10:26 PM

স্যার আপনার এই পোস্ট পড়ার পর। আমার সমস্ত কনফিউশোন দুর হয়ে গেছে।আপনার সাইট ভিজিট করে আমি খুব উপকৃত হয়েছি।আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

2
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x
Share via
Copy link